শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে বাড়ির দরজা কেটে দুর্ধর্ষ চুরি আগের মতো সড়কে চাঁদাবাজি হচ্ছে না : শাহজাহান খান লালমনিরহাটে ধর্ষণের চেষ্টায় জাসদ নেতা হাসমতের বিরুদ্ধে মামলা লালমনিরহাটে বসতভিটা ও চাষাবাদের ৩৩ শতক জমি রক্ষায় নিঃস্ব ফৈমুদ্দিন শুধুই কাঁদছেন! লালমনিরহাটের গোকুন্ডায় যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে অমানসিক নির্যাতনে অভিযোগ মই দিয়ে ৫ কোটি টাকায় সেতুতে উঠছেন স্থানীয়রা! ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

৭ দিনের কড়া লকডাউনে জোরপূর্বক এনজিও টাকা আদায়

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে

আবদুল্লাহ আল মামুন, সাতক্ষীরা ।। সাতক্ষীরায় ৭ দিনের কড়া লকডাউনের মধ্যে অতিবাহিত হয়েছে চারদিন কিন্তু থেমেনেই এনজিও গুলোর কিস্তির টাকা আদাই।করোনার প্রকোপ জেলাতে বেড়ে যাওয়ার কারণে জেলা প্রশাসন প্রজ্ঞাপন জারি করে সাধারণ মানুষদের বিনা কারণে ঘরের বাইরে যেতে বিধি নিষেধ জারি করছেন।

এছাড়া নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান খোলা থাকবে সকাল ৬ থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত সারাক্ষণ খোলা থাকবে ওষুধের দোকান।

তবে এই ভয়াবহ করনাকালীন সময় সাতক্ষীরায় থেমে নেয় এনজিও কর্মীদের টাকা আদায়। বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা টাকা আদায় করার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে গ্রাহকদের।

কিন্তু সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহিতাদের অনেকে অভিযোগ করেছেন, তাদের কিস্তির টাকার জন্য কঠোর তাগাদা দিচ্ছেন এনজিও কর্মীরা।

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বা এনজিওগুলো কিস্তির ঋণ গ্রহিতাদের টাকা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করেছে।

রহিম হোসেন নামে একজন চায়ের দোকানদার জানান, দু’টি এনজিও’র কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। পাঁচ মাস তিনি নিয়মিত প্রতি সপ্তাহে কিস্তির টাকা পরিশোধ করেছেন।

কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারিতে সাতক্ষীরায় ৭ দিনের লকডাউনে তিনি দোকান খুলতে না পারায় অর্থ সংকটে পড়েছেন।

রহিম হোসেন আরও বলেন, এখন তিন বেলা খেতে পাচ্ছিনা এনজিওদের ঝণের টাকা দিবো কোথা থেকে। কিন্তু অর্থসংকট এবং মহামারি কিছুই বুঝতে নারাজ এনজিও কর্মীরা।

শাহিনা পারভীন নামে একজন ব্যবসায়ী বলেন,”আমরা বলেছি যে, ৭ দিন লকডাউন দিছে আপনারা টাকার চাপ দেন ক্যান? আমি বলেছি, লকডাউনের জন্য দোকান খুলতে পারছিনা টাকা দিবো কোথা থেকে।

এরা শোনেই না। আমি তারপর বলছি যে, আপনাদের কিস্তির জন্যে গলায় দড়ি দিবার জন্য বলছেন আমাকে? তখন বলছে না গলায় দড়ি দেবেন ক্যান, আপনি চেষ্টা করেন। তো চেষ্টা করলে টাকা পাবো কোথায়।

এই মুহুর্তে কাজ করলেই মানুষ টাকা পাচ্ছে না।”এখন মনে হচ্ছে, টাকার জন্য পালিয়ে বাঁচতে পারলে ভাল হয়, তাওতো পরবো না। পালিয়ে বাঁচারওতো সুযোগ নাই আমাদের।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল বলেন, এনজিও প্রতিষ্ঠানের টাকা আদায়ের বিষয়ে কোন বিধি নিষেধ জারি করা হয়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102