শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে বাড়ির দরজা কেটে দুর্ধর্ষ চুরি আগের মতো সড়কে চাঁদাবাজি হচ্ছে না : শাহজাহান খান লালমনিরহাটে ধর্ষণের চেষ্টায় জাসদ নেতা হাসমতের বিরুদ্ধে মামলা লালমনিরহাটে বসতভিটা ও চাষাবাদের ৩৩ শতক জমি রক্ষায় নিঃস্ব ফৈমুদ্দিন শুধুই কাঁদছেন! লালমনিরহাটের গোকুন্ডায় যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে অমানসিক নির্যাতনে অভিযোগ মই দিয়ে ৫ কোটি টাকায় সেতুতে উঠছেন স্থানীয়রা! ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

১৩ লক্ষাধিক ইউনিট রক্ত সরবরাহ করল কোয়ান্টাম ল্যাব

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বাংলার সংবাদ ডেস্ক ।। স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন কোয়ান্টামের স্বেচ্ছা রক্তদানের ল্যাব শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১৩ লক্ষাধিক ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান সরবরাহ করেছে। ১৩ লক্ষাধিক মুমূর্ষু রোগীকে এই সেবা দিতে পারায় কোয়ান্টামের সকল স্বেচ্ছা রক্তদাতা, স্বেচ্ছাসবী এবং কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেই চার লক্ষাধিক রক্তদাতার মাধ্যমে সেবার এই সংখ্যা ছাড়ায় কোয়ান্টামে।

ল্যাব কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত ল্যাব সরবরাহ করতে পেরেছে ১৩ লাখ ৫ হাজার ১৮২ ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান। এই রক্ত আসে কোয়ান্টামের চার লাখ ১৬ হাজার ৬০৮ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতার সহযোগিতায়। এর মধ্যে কমপক্ষে ৩ বার রক্তদান করেছেন লাইফ লং ডোনার ৪৭ হাজার ৯৩৫ জন, ১০ বারের রক্তদাতা সিলভার ডোনার ১০ হাজার ৩১৯ জন, ২৫ বারের দাতা গোল্ডেন ডোনার এক হাজার ৯২৬ জন এবং ৫০ বার রক্ত দিয়েছেন এমন প্লাটিনাম ডোনারের বর্তমান সংখ্যা ৪৬ জন। এছাড়াও অনিয়মিত দাতার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮২ জন।

ল্যাব কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, করোনার দুর্যোগ সময়েও কোয়ান্টাম ল্যাব কর্মীরা তাদের এ সেবা কার্যক্রম চালু রেখেছেন। প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা মানুষকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। কোয়ান্টাম ল্যাবে রক্তদানের ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে এক ব্যাগ রক্ত থেকে নানা উপাদান আলাদা করা সম্ভব। ফলে এক ব্যাগ রক্তে কমপক্ষে চারজন রোগীর প্রয়োজন মেটানো সম্ভব। গত বছর ২০২০ সালে কোয়ান্টাম ল্যাবে রক্ত ও রক্ত উপাদানের চাহিদা ছিল ৯৭ হাজার ৬১৪ ইউনিট। এর বিপরীতে ল্যাব সরবরাহ করতে পেরেছে ৮৫ হাজার ৩৫৭ ইউনিট। দেশে রক্তের চাহিদা পুরোটা মেটাতে নতুন স্বেচ্ছা রক্তাদাতার অংশগ্রহণ আরো বাড়াতে হবে। রক্তের যেহেতু কোনো বিকল্প নেই তাই স্বেচ্ছা রক্তদানের মাধ্যমেই থ্যালাসেমিয়া রোগী, সন্তান সম্ভবা নারী কিংবা অপারেশনের রোগীকে প্রয়োজনের মুহূর্তে রক্ত সরবরাহ করা সম্ভব।

২০০০ সালে শুরু করে দুই দশকের নিরলস প্রচেষ্টায় চলছে কোয়ান্টাম ল্যাবের এই রক্তদান কার্যক্রম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্ধারিত ৫টি স্ক্রিনিং টেস্ট যেমন- হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইডস এবং ম্যালেরিয়া ইত্যাদির বাধ্যতামূলক পরীক্ষার ফলে ল্যাব থেকে সরবরাহকৃত রক্তের ব্যাপারে গ্রহীতারা খুবই আস্থাশীল। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, নিয়মিত স্বেচ্ছা রক্তদাতারা দুরারোগ্য রোগ-ব্যাধি থেকে প্রায়ই মুক্ত থাকেন। এ ছাড়া নিয়মিত রক্তদাতার হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও থাকে অনেক কম।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102