বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে লালমনিরহাটের কয়েকটি গ্রামে ঈদ উদযাপন

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ মে, ২০২১
  • ৫৪ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার ।। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না গেলেও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেছেন কয়েকটি গ্রামের শতাধিক পরিবার। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে দেখা গেছে উদাসীনতা। বেশিরভাগ মুসুল্লির মুখে ছিল না ছিল মাস্ক। এছাড়াও সামাজিক দূরত্ব কোন বালাই নেই।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার তুষভান্ডার ইউনিয়নের মুন্সীপাড়া জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে জামাতে ইমামতি করেন মাওলানা ইমান আলী।

ছবি: সংগৃহীত


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার তুষভান্ডার, সুন্দ্রহবী, কাকিনা, চাপারহাট, চন্দ্রপুর, আমিনগঞ্জ ও মুন্সীপাড়া গ্রামের প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের মুসল্লিরা বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। প্রতি বছর সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগে রোজা ও ঈদ করেন এসব গ্রামের মুসল্লিরা।

সরোজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্নস্থান থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে মুসুল্লিরা আসছেন। কিন্তু তাদের মুখে কোনও মাস্ক ছিল না। এমনকি মসজিদের ভিতরে বসেছেন গাদাগাদি করেও। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে উদাসীনতা দেখা যায়। এসব মুসুল্লি বেশিরভাগ ঢাকা ফেরত। তাই এলাকাবাসীর ধারণা করোনা সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।

এ ব্যাপারে মুন্সীপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ইমান আলী বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে সকল মুসুল্লিরা জামাত আদায় করতে বলা হয়েছে। কিন্তু তা কেউ মানে নি।, মানুষ না মেনে চললে তো আমাদের কিছু করার থাকে না।, একদিন আগে কেন? ঈদের নামাজ এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, কোরআন থেকে জেনে শুনে এই ঈদ আমরা পাল করে আসছি, এখানে কোন ভুল নেই। আমাদের মত দেশের সকল মানুষ পালন করা উচিৎ। তাহলে ঈদের আনন্দ আরও বেড়ে যাবে।

কালীগঞ্জ উপজেলার হাড়িশহরের মুন্সীপাড়ার ঈদগাহ মাঠের সভাপতি মাওলানা মাছুম বিল্লাহ্ বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বিগত কয়েক বছর ধরে এই এলাকার মানুষ ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা, শবে-কদর, শবে মেরাজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন। সেই হিসেবে আজ ঈদুল ফিতর পালন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে অনেক আগে থেকে কাকিনা-তুষভান্ডার ইউনিয়নের সুন্দ্রাহবি, চন্দ্রপুর ইউনিয়নের বোতলা ও পানি খাওয়ার ঘাট এলাকায় ঈদের নামাজ আদায় করে আসছে কিছু মানুষ।’ নামাজ আদায়ের সময় মুসুল্লিদের নিরাপত্তায় দুজন পুলিশ কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102