শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাটে বসতভিটা ও চাষাবাদের ৩৩ শতক জমি রক্ষায় নিঃস্ব ফৈমুদ্দিন শুধুই কাঁদছেন! লালমনিরহাটের গোকুন্ডায় যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুকে অমানসিক নির্যাতনে অভিযোগ মই দিয়ে ৫ কোটি টাকায় সেতুতে উঠছেন স্থানীয়রা! ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে নিয়ামতপুর উপজেলাবাসী

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৭৭ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

মোঃ ইমরান ইসলাম, নওগাঁ ।। নওগাঁর নিয়ামতপুরে টানা কয়েকদিন যাবত বয়ে চলেছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।ঘন কুয়াশা ও কনকন শীতের ঠান্ডা আবহাওয়ায় বিপন্ন হয়ে পড়েছে। উপজেলার জনজীবন। এ শৈত্যপ্রবাহের মধ্যেই শুরু হয়েছে কৃষকের বোরো ধান রোপণের কাজ। ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতের মধ্যে অন্যের জমিতে ধান রোপণের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে, দিনমজুর ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মানুষরা।

সইতে হয় কঠিন শীত, কষ্ট করতে হয় সাধারণ গরীব অসহায় মানুষদের।চেয়ে থাকে সমাজের প্রভাবশালী বিত্তবানদের দিকে।উপজেলায় সরকারের পক্ষ থেকে এবং বেসরকারীসহ বিভিন্ন সংস্থা ইতিমধ্যে কম্বল বিতরণ করছে।অন্যদিকে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।এ অবস্থায় গরম কাপড়ের অভাবে শীতে জুবু-থুবু হয়ে পড়েছে শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ।তবে ঘন কুয়াশা আর শীতের প্রকোপ বাড়ায় সন্ধ্যা নামতেই শহর হয়ে পড়ে স্থবির।পথচারীরা ঘরমুখী হয়ে পড়ে। সারা দিনের মেঘলা আকাশেই থাকছে সূর্য।

দুপুরের পর একটু সূর্যের দেখা মেলে। এ কারণে বেশিরভাগ সময়ে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে দূরপাল্লার যানবাহন।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সরেজমিনে দেখা যায়, প্রচন্ড শীতে স্বচ্ছলরা বাড়ির বাইরে আসছে কম। তবে খেটে খাওয়া মানুষজনকে জীবিকার সন্ধানে বের হতে হচ্ছে মাঠে।শরীরে একটু গরম কাপড় মুড়িয়ে পায়ে হেটে কাজের সন্ধ্যানে যাচ্ছে মাঠে।শীতের কাঁপুনি নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে দিন মজুরদের।

উপজেলা শহরে চার্জার চালিত ভ্যান চালক নুরুল হক জানান, ঘন কুয়াশার ফলে তাদের গাড়ি চালাতে সমস্যা হয়।অপরদিকে ঠান্ডার কারণে যাত্রী কম।আয় রোজগার কমে যাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সমস্যায় আছেন তাদের।

উপজেলার ভাবিচা গ্রামের দিনমজুর রশিদ আলী জানান, কনকনে ঠান্ডার কারণে নিয়মিত মাঠে কাজ করতে যেতে পারছি না। বাড়িতে পরিবারের ৪জন সদস্য রয়েছে।অন্যদিকে আবার সাপ্তাহিক কিস্তি রয়েছে।সব মিলে খুব বিপদের মধ্যে আছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জয়া মারীয়া পেরেরার জানান, গোটা উপজেলায় শীতার্ত মানুষের সহায়তার জন্য কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।পর্যায়ক্রমে এখনো ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী ও ছিন্নমূল মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102