বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৪২ পূর্বাহ্ন

শেখ হাসিনার কারণেই বাংলাদেশ মর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত হয়েছে : সৈয়দ আহমেদ সেলিম

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ মার্চ, ২০২১
  • ৮৭ বার দেখা হয়েছে
সৈয়দ আহমেদ সেলিম

বাংলার সংবাদ ডেস্ক ।। আজকে মার্চ মাসের একটি ঐতিহাসিক দিন। আজ ২ মার্চ, জাতীয় পতাকা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে বটতলায় বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকা প্রথমবারের মতো উত্তোলন করা হয়। সে পতাকা আর কখনোই নামেনি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। এইখান থেকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মহান গুরুদায়িত্ব বর্তায় আগামী প্রজন্মের উপর। তরুণ প্রজন্মকে সেই আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে এগিয়ে যেতে হবে তাহলেই আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য ছিল সেটা সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করতে পারব।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২৬৬তম পর্বে মঙ্গলবার (০২ মার্চ) আলোচক হিসাবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন পিএসসি, নিরাপত্তা বিশ্লেষক, গবেষক ও লেখক মেজর জেনারেল (অব.) এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার, জার্মান আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ আহমেদ সেলিম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু’র সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

সৈয়দ আহমেদ সেলিম বলেন, কৃষ্ণচূড়া এবং পলাশের আগুন লাল ফাগুনের এবং চৈত্রের ভরা রৌদ্রে মার্চ মাস বাঙালির হৃদয়ে এমনেই অনেক আগুন ছিটিয়ে দিয়েছে বিগত দিনে, মূলত ১৯৪৮ সনে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে তৎকালীন পাকিস্তান গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এক জনসভায় দেয়া ভাষণে ঘোষণা করেন, ”উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়।” এরপরে ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে গিয়েও তিনি একই ধরনের বক্তব্য রাখেন।

তিনি যে অবজ্ঞা প্রদর্শন করেছিল তার সশস্ত্র হামলা হয়েছিল ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে। আজ ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস। পাকিস্তান উপনিবেশিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকা প্রথমবারের মতো উত্তোলন করা হয়। সেখানে জনসমুদ্রের মধ্যে লাল, সবুজ, সোনালি-তিন রঙের পতাকাটি সেই যে বাংলার আকাশে উড়লো, তা আর কখনোই নামাতে পারেনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও সরকার। এদিনের ঢাকা ছিল হরতাল, মিছিল আর কারফিউর নগরী। বঙ্গবন্ধু ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা থেকে শুরু করে ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের পূর্বদিন পর্যন্ত দেশের গণমানুষের উন্নয়নের কথা বলেছেন। স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের পক্ষে ছিল তাঁর রাষ্ট্রনীতি।

তিনি সবসময় শোষিতের মুক্তি কামনা করেছেন। আজীবন সংগ্রামে যেমন তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি; তেমনি স্বাধীন দেশের সমাজকে সকল অপশক্তির কবল থেকে মুক্ত করার জন্য অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিল তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের ২১- ফা এবং ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগের ৬ দফা কর্মসূচিতেও শোষণের বিরুদ্ধে অবস্থান ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ দীর্ঘ সময় পথ পাড়ি দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পঞ্চাশ বছর পরে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণ করার তালিকায় সকল শর্ত পূর্ণ করে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

বাংলাদেশ এই স্বীকৃতি পেল যখন আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী পালন করছি এবং পালন করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই অতিমারির সময়েও দেশবাসীর মনটা ভালো হয়ে গেল এই আকাঙ্ক্ষিত অর্জনে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে মর্যাদাশীল জাতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। এইখান থেকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মহান গুরুদায়িত্ব বর্তায় আগামী প্রজন্মের উপর।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102