মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালমনিরহাটের খোড়াগাছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়নি! একেই বলে লালমনিরহাটের দেউতির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের প্রভুভক্তি! উমাপতি হরনারায়ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাঞ্জুমার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিবরাম স্কুল এন্ড কলেজে জাতীয় শোক দিবস পালিত লালমনিরহাটে দুর্বৃত্তদের হামলায় ৫ সাংবাদিক আহত, একজন আসামি গ্রেফতার লালমনিরহাটে অটোরিক্সা চালক অপহরণ, মুক্তিপণ দাবী (ভিডিও সহ) মহাত্মাগান্ধী গোল্ডেন এ্যাওয়াড পেলেন লালমনিরহাটের তিস্তা কে. আর. খাদেম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংস্কার কাজ পানির স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে! লালমনিরহাট রেলওয়ে চুক্তিভিত্তিক টিএলআর, নিয়োগে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিচ্ছেন ফিরোজ হারিয়েছে…

লালমনিরহাট রেলওয়ে চুক্তিভিত্তিক টিএলআর, নিয়োগে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিচ্ছেন ফিরোজ

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২
  • ১৩৪ বার দেখা হয়েছে

আসাদুল ইসলাম সবুজ, লালমনিরহাট ॥ লালমনিরহাট রেলওয়ে অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক টিএলআর নিয়োগে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নিচ্ছেন ফিরোজ। কে এই ফিরোজ, তিনি লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের বিভাগীয় প্রকৌশলী দপ্তর “ডিইএন” অফিসের প্রধান অফিস সহকারী (হেডএসিটেন্ট) মি. ফিরোজ। অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক টিএলআর নিয়োগে লক্ষ লক্ষ হাতিয়ে নেয়ার মুল হোতা মি. ফিরোজের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ মহাপরিচালক রেলভবনসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা যায়, লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের বিভাগীয় প্রকৌশলী দপ্তর “ডিইএন” অফিসের প্রধান অফিস সহকারী হিসেবে মি. ফিরোজ যোগদান করার পর থেকে বেশকিছু অনিয়মের সাথে জড়িয়ে পড়েন। তার অধীনে বিভিন্ন অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক টিএলআর, গেটম্যান, ওয়েম্যান, খালাসিসহ রেল কর্মচারীদের জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে থাকেন। কোন কর্মচারী এসুবিধা দিতে না চাইলে তাকে দুরে কোথাও বদলী করা হয়।
তাছাড়াও ফিরোজের রয়েছে নিয়োগ বাণিজ্য একটি বিশাল সিন্ডিকেট। এসব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সারা বছর জুড়ে প্রত্যকের নিকট থেকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক টিএলআর, গেটম্যান, ওয়েম্যান, খালাসি কর্মচারীর নিয়োগ বাণিজ্য করে থাকেন। ফিরোজের এ নিয়োগ বাণিজ্যর সদস্য হলেন, বামনডাঙ্গা স্টেশনের জেলাল, তিস্তা, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা রয়েছে বেশ কজন। তাদের মাধ্যমে ২ লক্ষ ৫০ হাজার থেকে ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক টিএলআর, গেটম্যান, ওয়েম্যান, খালাসি কর্মচারীর ২০/২৫ নিয়োগ বাণিজ্য করেছেন। ঘুষ ছাড়া তার টেবিলের কোন ফাইলেই নড়ে না। ফলে ডিইএন অফিসের আওতাধীন কর্মচারীরা প্রধান অফিস সহকারী মি. ফিরোজের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন।
লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের বিভাগীয় প্রকৌশলী দপ্তরের আওতাধীন নাম প্রকাশ অনইচ্ছুক সত্যতে কর্মচারীরা বলেন, ছোট কাজ হোক আর বড় কাজেই হোক না কেন, ঘুষ ছাড়া তার টেবিলের কোন ফাইলেই নড়ে না। ফিরোজ নিয়োগ বাণিজ্য করে ইতিমধ্যে গাইবান্ধা শহরে বাড়ি করেছেন। তাছাড়াও অঢল সম্পদের মালিক হয়েছেন। যা তদন্ত করলে বেড়িয়ে আসবে যে, ফিরোজ রেলওয়ে চাকরি যোগদানের পর থেকে কি পরিমাণ অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছেন।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট রেল ডিভিশনের বিভাগীয় প্রকৌশলী দপ্তর “ডিইএন” অফিসের প্রধান অফিস সহকারী মি. ফিরোজের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, যদি কেউ অভিযোগ করে থাকে তাহলে সেটি মিথ্যা। একটি লোকও বলতে পারবে না যে আমি নিয়োগ বা ঘুষ বাণিজ্য করছি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102