শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মই দিয়ে ৫ কোটি টাকায় সেতুতে উঠছেন স্থানীয়রা! ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল

লালমনিরহাট পৌর নির্বাচনে আ’লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীর ইশতেহার ও জীবন বৃত্তান্ত

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৯২ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

আসাদুল ইসলাম সবুজ ॥ লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেনকে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে দেখছেন ভোটারা। মেয়র পদে দায়িত্বভার পালন করতে সক্ষম অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দল পরিচালনায় অত্যান্ত দক্ষতার পরিচয় দেয়ার পাশাপাশি অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেনের অতীত জীবনে কোন বিতর্কের ছাপ নেই। ফলে লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীক নিয়ে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে অংশ গ্রহন করছেন অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন।

ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ মোফাজ্জল হোসেন-এর মতবিনিময় ও নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

আসছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচন। উক্ত নির্বাচনে সৎ, নিষ্টাবান, নির্ভীক, যোগ্য, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতামুলক দক্ষব্যক্তি হিসেবে সাধারণ ভোটারদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। অন্যসব প্রার্থীর চেয়ে নৌকার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। দলীয় আদর্শের প্রতি অবিচল ত্যাগ, দৃঢ চেতনা ও সংগ্রামী প্রতিভাবান রাজনৈতিক নেতা অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেনের জীবনী সংক্ষেপে তুলে ধরা হল।

তার পুরো নাম, মো. মোফাজ্জল হোসেন। মোফাজ্জল হিসেবে পৌরবাসীর কাছে পরিচিত। তার পিতা মৃত নবী হোসেন, তিনি ছিলেন মহান মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক। বাসা লালমনিরহাট পৌর শহরের খোর্দ্দসাপটানা, মজিদা খাতুন সরকারি মহিলা কলেজ সংলগ্ন। অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন লালমনিরহাট পৌর শহরের খোর্দ্দসাপটানা এলাকার একটি সভ্রান্ত পরিবারে জম্ম গ্রহন করেন। তার শিক্ষাগতযোগ্যতা এম.কম ব্যবস্থাপনা এল.এল.বি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজকের অবস্থানে আসেন ছাত্রলীগের সাবেক এ নেতা অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন। তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক, লালমনিরহাট চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পরিচালক, জেলা ক্রীড়া সংস্থা লালমনিরহাটে সহ-সভাপতি, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি লালমনিরহাট ইউনিটের কার্যনির্বাহী সদস্য ও বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, লালমনিরহাট পৌর শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

ছবি: সংগৃহীত


এরআগে মোফাজ্জল হোসেন ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে চিলড্রেন পার্ক সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ শ্রেণিতে পড়াবস্থায় ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। স্কুল পেরিয়ে ১৯৮৫ সালে লালমনিরহাট সরকারি কলেজ পড়াবস্থায় ছাত্রলীগের কলেজর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, লালমনিরহাট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, লালমনিরহাট জেলা শাখার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, লালমনিরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ২০১২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। আবারও ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, লালমনিরহাট পৌর শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন। স্কুল পড়াবস্থা মোফাজ্জল হোসেন আ’লীগের রাজনীতিতে পা রাখেন। তিনি সেই স্কুল ও কলেজ কমিটি থেকে শুরু করে তৃণমূল আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন আজও। এছাড়াও লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীক নিয়ে মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেনের নির্বাচিত হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

নৌকা প্রতীকের সমর্থকরা বলছেন, 'মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আর প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি নৌকা মার্কা, জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের নৌকা মার্কা। ‘দলীয় নির্বাচন হিসেবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীই যোগ্যতা সম্পন্ন। জনপ্রিয় তারপক্ষেও অনেকের সমর্থন আছে। নৌকা মার্কার প্রচার প্রচারণা দলমত নির্বিশেষে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিচ্ছেন। সাধারন ভোটাদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন এ প্রার্থী। নতুন মুখ অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেনকে নিয়ে সাধারণ ভোটারাও বেশ গুরুত্বসহকারে ভাবছেন। আর এই নৌকা মার্কা নিয়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি নৌকার বিপুল ভোটে বিজয় সুনিশ্চিত করবো, ইনশাআল্লাহ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমার পরিবার আ’লীগ পরিবার। আমার বাবা নবী হোসেন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধের একজন সংগঠক ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর আ’লীগকে সুসংঠিত করা জন্য কাজ করেছেন। সেই সময় শহরের যে দুটি পরিবারের উপর জুলুম ও নির্যাতন সইতে হয়েছে তার মধ্যে আমার পরিবারেও রয়েছে। তাছাড়াও আমার বাবা ৮০ ও ৯০ দশকে লালমনিরহাট পৌর আ’লীগকে সহ-সভাপতি ও ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি এবং জেলা আ’লীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় আমার বাবা কয়েকবার রাজনৈতিক হয়রানী মামলায় জেলও খাটেন। ১৯৯৫ সালে বিএনপির স্থানীয় ক্যাডারদের হাতে আমার বাবা নবী হোসেন আক্রমনের শিকার হন এবং তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

তিনি বলেন, আমার বড় ভাই সাবেক পৌর কমিশনার গোলাম মোস্তফা ৮০ দশকে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং বর্তমান তিনি জেলা আ’লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য। আমার ছোট ভাই প্রভাষক মমতাজুল হক বর্তমান জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি ও আরও এক ছোট ভাই মোকসেদুর রহমান বাবলু বর্তমান পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ছবি: সংগৃহীত


নৌকা প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন আরও বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি করা অবস্থায় ১৯৮৭ সালে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে গ্রেফতার হন। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনকালে ১৯৯১-৯৬ সালে বিএনপির আমলে ভোট ও ভাতের আন্দোলনে শতাধিক হয়রানী মামলা ও নির্যাতনের শিকার হন। এছাড়াও ২০০১ সালে ৪ দলীয় জোট সরকারের আমলে আমি ও আমার পরিবার মামলা হামলাসহ নির্যাতনের শিকার এবং পারিবারির ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। তাই লালমনিরহাট জেলা ও উপজেলা আ’লীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও শ্রমিকলীগের নেতাকর্মীসহ কৃষক, মেহনতি ও খেঁটে খাওয়া অসহায় মানুষগুলো বিশাল ভোট ব্যাংক আমার সাথে আছেন।

অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আপনারা ভোট দিয়ে আমাকে মেয়র নির্বাচিত করলে পৌবাসীর উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী ও স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন, দেশে-বিদেশে অনুদানসহ কর্মসংস্থান সৃষ্ঠি, সুবিধাভোগী, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ভিজিএফ-ভিজিডি, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, সড়ক নির্মাণ, স্মৃতি সৌধ নির্মাণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, চিকিৎসা, বসবাসকারী দরিদ্র-ছিন্নমুল পরিবারের জন্য আবাস প্রকল্প স্থাপন ও সামাজিক শক্তি সক্রিয় সুযোগ সৃষ্টিতে অবদান রাখবো।

এ বিষয়ে জেলা যুবলীগের সভাপতি মোড়ল হুমায়ন কবির বলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন একজন পরিচ্ছন্ন নেতা। সৎ, নির্ভীক, নিষ্ঠাবান, সততা, দক্ষতার ও জবাবদিতিতা মুলক যোগ্য ব্যাক্তি হিসেবে দীঘদিন পৌর আ’লীগের দায়িত্ব পালন করেছেন। হেভিওয়েট নৌকা প্রতীকে মেয়র প্রার্থী মোফাজ্জল হোসেন ইতিমধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন। তারপক্ষ বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ, লালমনিরহাট জেলা শাখাসহ সকল সহযোগী সংগঠন একযোগে কাজ করছেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী দেখিনি। আর যারা ছিল তারা সবাই জননেত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে আমরা নৌকার পক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। তাই পৌর শহরকে সুন্দর, আধনিক ও পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ার উন্নয়নধারা অব্যাহত রাখার জন্য নৌকার প্রার্থীকে বিজয় করতে হবে।

লালমনিরহাট পৌরসভা নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তার ২১ দফা সংবলিত নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারী) সকাল ১০টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ মোফাজ্জল হোসেন-এর মতবিনিময় ও নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

তাঁর ২১দফা সংবলিত নির্বাচনী ইশতেহার উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দের সামনে তুলে ধরেন। সেই নির্বাচনী ইশতেহারে লালমনিরহাট পৌরসভাকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও মডেল পৌরসভা বিনির্মাণে ২১টি দফা রয়েছে। মোঃ মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আমি নির্বাচনে বিজয়ী হলে ২১ দফা-সহ লালমনিরহাট পৌরসভার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবো।

ছবি: সংগৃহীত


নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষানায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সহ-সভাপতি নজরুল হক পাটোয়ারী ভোলা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোঃ মোফাজ্জল হোসেন, লালমনিরহাট পৌরসভার বর্তমান মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি সিরাজুল হক, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. সফুরা বেগম রুমী, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মতিয়ার রহমান প্রমুখ।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অ্যাড. নজরুল ইসলাম রাজু, সাবেক সহ-সভাপতি খোরশেদ আহমেদ দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা স্বপন, সাবেক দপ্তর সম্পাদক সিরাজুল হক খন্দকার রানা, সাবেক প্রচার সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন খান-সহ তাঁর ভাই, পরিবারের অন্যান্য স্বজন, শুভাকাঙ্খী ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102