মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:২৪ অপরাহ্ন

লালমনিরহাটে সরকারী আবাসন ও বস্তিবাসীদের করোনা উপসর্গ নিয়ে অবাধ বিচরণ

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ৫৮ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার ।। লালমনিরহাটে সরকারী আবাসনের বাসিন্দা ও শহরের বিভিন্ন বস্তিবাসীর প্রায় ঘরে ঘরে জ্বর সর্দি রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে এমন করোনা উপসর্গ নিয়েও অবাধ বিচরণ করছেন এসব খেটে খাওয়া মানুষগুলো।

লালমনিরহাট পৌরসভার বড় ২টি আবাসনের ৩১০ টি পরিবারে মোট ৭০০ জন মানুষ বাস করে। কিন্ত গত ২০২০ সালের মার্চ মাসে করোনা ভাইরাস দেখা দিলে, গত ১৭ মার্চ থেকে বাংলাদেশে দফায় দফায় লকডাউন চলছে। লকডাউনে শহরের ওই আবাসনের বাসিন্দারাসহ বিভিন্ন বস্তিবাসী কর্মহীন হয়ে পড়ে। ফলে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মের জন্য ছুটে যায়। এতে ওই দিন মজুর মানুষগুলো জীবানু বহন করে চললেও তারা চিকিৎসকের নিকট পরীক্ষার জন্য যায় না। তারা করোনা কি, অনেকে তা বোঝার চেষ্টা করে না। আবাধ চলাধেরার কারণে এসব খেটে খাওয়া মানুষগুলোর মাঝে সর্দি ও জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মঙ্গলবার ৬ জুলাই সাপটানা আবাসন প্রকল্প কমিটির সভাপতি মোঃ রাশেদ ইসলাম জানান, আমাদের আবাসনে ৭০০ জন জনসংখ্যার মাঝে ৫০ থেকে ৬০ জন শিশুসহ মহিলা ও পুরুষ জ্বর ও সর্দীতে আক্রান্ত হয়ে হর হামেশেই শহর-বন্দরে চলাফেরা করছেন পেটের তাগিদে। ভালো মতো চিকিৎসা না করার কারনে দিন দিন রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আবাসনের বাসিন্দা মজিবর রহমান জানান, আবাসনের মানুষ অধিকাংশই দিনমজুর, কাজ না করলে পেটে ভাত জোটেনা। বদিয়ার রহমানসহ আবাসনের অনেকেই জানিয়েছে, কাজের প্রয়োজনে তাঁদেরকে বিভিন্ন জায়গায় ছুটে বেড়াতে হয়।

এলাকাবাসী জানান, আবাসনের বাসিন্দারা স্বাস্থ্য বিধি না মানায় দিন দিন জ্বর ও সর্দিতে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জরুরি ব্যবস্থা গ্রহন করা না হলে করোনার ভয়াবহ ছোবলের আশংকা রয়েছে আবাসনে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ আবু জাফর জানান, আবাসনের মানুষ সরকারি হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন। তারা জেনো সরকারি চিকিৎসা গ্রহন করে নিজেরা সুস্থ্য থাকেন এবং অপরকেও নিরাপদ রাখেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102