বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

রাজারহাটে সরকারি রাস্তার গাছ কর্তন করার অভিযোগ

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

২০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো আসামী শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ

এ.এস.লিমন, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) ।। কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউপির মল্লিকবেগ(কুটিপাড়া) এলাকায় সরকারি রাস্তার ১৬টি গাছ অবৈধভাবে কর্তন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর পক্ষে মতিয়ার রহমান স¦াক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ গত ২২ মার্চ রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা সহকারি ভুমি কমিশনার বরাবর দায়ের করেন। ঘটনার ২০ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো আসামী শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ মার্চ ও ১৬ মার্চ ২১খ্রি: রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউপির মল্লিকবেগ (কুটিপাড়া) এলাকায় সরকারি রাস্তার দু’ধারে বরেন্দ্র বহুমুখীর আওতায় ১৪টি ইউক্লিপটার্স ও ২টি মেহগনী গাছ দিন-দুপুরে ওই এলাকার মো: বিপ্লব মিয়া (৪২), মো: অন্তর হোসেন (৩০), মো: সোহেল মিয়া (৩৫), মো: সিরাজ উদ্দিন (৬৫), মো: শামীম হোসেন (৫০),নুরুজ্জামান (৪৬)সহ অজ্ঞাত আরও ৩/৪ জন অবৈধভাবে রাস্তার গাছ কর্তন করে বিক্রি করে দেন। খবর পেয়ে গত ১৬ মার্চ রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গাছের ১৬টি গুঁড়ি জব্দ করে এবং ১৭ মার্চ সন্ধ্যায় নাজিমখাঁন ইউপির মনারকুটি এলাকার মো: নুর হোসেন এর ছ-মিল থেকে ৫টি ইউক্লিপটার্স গাছের ফাঁড়াই করা কাঠ গ্রাম পুলিশ উদ্ধার করে নাজিমখান ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে রেখে দেন।

এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরে তাসনিম বলেন, সংশ্লিষ্ট এলাকার ভুমি তহশিলদার থানায় রিপোর্ট করেছেন। এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগটি ঘটনার কয়েকদিন পর দায়ের হয়েছে। উপজেলা সহকারি ভুমি কমিশনার আকলিমা বেগম বলেন, যেহেতু গাছগুলো কর্তনের সময় অত্র দপ্তরের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি দেখেননি, তাই অজ্ঞাত নামীয়দের বিষয়ে থানায় রিপোর্ট করেছি। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। এটিই হচ্ছে নিয়ম।

রাজারহাট থানার ওসি মো: রাজু সরকার বলেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তহশিলদার মারফত রিপোর্ট পাওয়ার পর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছি। তদন্ত চলছে মামলা রুজু প্রত্রিুয়াধীন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102