বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ

মরাসতী নদী এখন হাজারও কৃষকের আশীর্বাদ

স্টাফ রিপোর্টার।।
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ এপ্রিল, ২০২২
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ।। এক সময়ের খরস্রোতা মরাসতী নদীটি সময়ের বিবর্তনে এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। প্রমত্ত নদী এখন দেখে মনে হবে ছোট একটি খাল। শুস্ক মৌসুমে নদীর বুকে হাজারও কৃষকের বোরো ধানের চাষাবাদ এখন আর্শীবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলা সদর উপজেলা সহ আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম মিলে ৫টি উপজেলায় ৪৭ হাজার ৩শত ৫ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তারমধ্যে বছরে একবার লালমনিরহাট জুড়ে বয়ে চলা মরাসতীর বুকে বোরো চাষাবাদ করা হয়। ফলে মরাসতীর মাটি ধান চাষে খুবেই উপযোগী।

এক সময়ের খরস্রোতা মরাসতী সময়ের বিবর্তনে নদীটি এখন হারিয়ে যেতে বসেছে। প্রমত্ত নদী এখন দেখে মনে হবে ছোট একটি খাল। এই নদীতে এখন আর সারা বছর পানি প্রবাহ থাকে না। পলি জমে নদীর তলদেশ ক্রমে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফাল্গুন ও চৈত্র মাসে নদী পানির জন্য করে আর্তনাদ। এ সুযোগে নদীর কোন কোন এলাকায় নদীর কিছু জায়গা, অাবার অনেক স্থানে পুরোনদী ভরাট করে বসতবাড়ি, দোকান-পাট গড়ে তুলেছেন।এসব স্থাপনার কারণে নদীর অনেক স্থানে তার স্মৃতি টুকুও নেই। তবে স্থানীয় হাজারও কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের সহায়ক এখন মরাসতী নদী।

কৃষকরা জানান, সতীনদীর মাটি বোরো চাষাবাদে খুবেই উপযোগী। এ নদীর মাটি উর্বরতা, বীজ, অল্প সার ও কীটনাশক প্রয়োগে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হচ্ছে দুই যুগ ধরে। মরাসতী নদী কৃষকের শুধু আর্শীবাদেই নন, কৃষকদের জীবনে এনে দিয়েছে পরিবর্তনের ছোঁয়া।

স্থানীয় জেলে অাঃ রশিদ বলেন, মরাসতী নদীতে আর আগের মতো মাছ পাওয়া যায় না। এ নদীর মাছও খুব সুস্বাদু। আগে নদীতে নামলে নদীর দু’পারে কিছুই দেখা যেত না। নৌকা চলাচলসহ বার মাসে পানি প্রবাহ ছিল। এখন আর সেই মরাসতী নেই। এখন নদীতে নেমে বাড়ি মানুষও গনণা করা যায়। মাঘ মাসেই মরাসতী পানি শুন্য হয়ে পড়ে। শুরু হয় চাষাবাদ। তাই বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে মরাসতী নদীতে মাছ নয়, বাজার থেকে মাছ কিনে এনে খুচরা বাজারে বিক্রি করে পরিবার পরিজন নিয়ে কোনো রকমে বেঁচে আছি।

স্থানীয় কৃষক জলিল শেখ বলেন, মরাসতী নদীতে আমরা ২ বিঘা পৈতৃক সম্পত্তি আছে। চলতি মৌসুমে বোরো ধান চাষাবাদ করছি। ধানে ফলনও ভাল দেখা যাচ্ছে। আগে নদীর পানি দিয়ে বোরো ধানে সেচ দিতাম। এখন শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি সেচ দিতে হচ্ছে। রোগ বালাই কম ও আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ধানের বাম্পার ফলন হবে।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম বলেন, বোরো ধান চাষাবাদের জন্য এ জেলার মাটি খুবেই উপযোগী। তাই বোর চাষাবাদে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষকরা। ফলে বোরো ধান চাষাবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102