বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন

বহুল আলোচিত প্রজাপতি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির ৩০ লক্ষ টাকা লুটপাট : আদালতে মামলা

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১৪১ বার দেখা হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার ।। লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়ন বাজারস্থ মহিষখোচা প্রজাপতি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি: এর সভাপতি, সহ;সভাপতি, সম্পাদক ও ক্যাশিয়ার এর বিরুদ্ধে সমিতির সদস্যের সঞ্চয়ের ৩০ লক্ষ টাকা লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন অভিযুক্ত এক সদস্য।দায়িত্ব এড়াতে সমিতির গভ:র্ণিং বডির সদস্যদের একে-অপরকে দোষারোপ।

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়ন বাজারস্থ মহিষখোচা প্রজাপতি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি: গত ১২-৩-২০১২ইং তারিখে প্রতিষ্ঠিত হয়। যে খানে লেখা আছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত। যার রেজি নং-৫৮। উক্ত সমিতির বর্তমান সদস্য সংখা প্রায় ৫ হাজার দুইশত। তৎকালীন ২২-০৬-২০২০ইং পর্যন্ত তাদের মাঠ পর্যায়ের বিতরণকৃত লোনের পরিমান ছিল প্রায় কোটি টাকার সমান হলেও এই প্রতিষ্ঠানের মোট মূলধনের পরিমান ছিল প্রায় ১৩ কোটি টাকার সমান। এ টাকা পুরোটাই সমিতির সদস্যদের কাছ থেকে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হারে গ্রহনকৃত।

সরেজমিন তদন্তকালে দেখা যায, সমিতির সদস্য মোছা: মর্জিনা বেগম, মোছা: দুলালি বেগম.মো: ফজলার রহমান, আব্দুল হান্নান, স্বপ্না বেগম ,মুহসীন আলী,শাপলা বেগমএবং সাইদুুল ইসলাম ও মহুবর রহমানসহ মোট ১১ জন সদস্যের অভিযোগের ভিত্তিতে দেখা যায় তারা দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক হারে টাকা জমা রাখত। তাদের সকলের জমাকৃত টাকার পরিমান ছিল ৪ লাখ ৩৫ হাজার চারশত ত্রিশ।

অভিযোগকারী ১১ সদস্যদের পক্ষে মোছা: শাপলা বেগম বলেন, আমি মাসিক পাচশত টাকা জমা রাখতাম। আমার কোড নম্বর: ২২৬৬ আমি ৩০মার্চ ২০১৭ইং সদস্য পদ লাভ করে মাসিক পাচশত টাকা হারে ৩০ জুলাই ২০২০ইং পর্যন্ত টাকা জমা রাখি যার পরিমান আঠার শত টাকা। সদস্য মহুবর রহমান কোড নং: ৬৫১ তার জমাকৃত টাকার পরিমান ছিলএক লাখ ছয়শত টাকা । এমনি ভাবে,ফজলার রহমান কোডনং: ১৯০৪ জমার পরিমান ৩,৫৫০০ টাকা,স্বপ্না বেগম কোডনং:,১,৯০৪ জমার পরিমান ৩১,১২০টাকা ,দুলালি বেগম কোডনং:২০৩ জমার পরিমান ৩৫৪৬০ টাকা, মো: নুরহক কোডনং: ২৯৯৫ জমার পরিমান: ৭১,৩০০টাকা ,মর্জিনা বেগম কেডিনং: ৩০২৬ জমার পরিমান: ২৪,৪৪০টাকা ,হান্নান মিয়া কোডনং: ১,৫৭২, জমার পরিমান :৪,৪১০টাকা, সাইদুল ইসলাম কোড নং; ৩১৫৪ জমার পরিমান; ৩০০০টাকা । মোছা: ফুলতি বেগম কোডনং: ১০৯১ টাকার পরিমান: ৮,৫৬০নটাকা, মুহসীন আলী কোড নং: ৩১১৮ টাকার পরিমান: ৮,০০০ টাকা এমনি ভাবে মোট এগার সদস্যের জমাকৃত টাকার পরিমান দাড়িয়েছে প্রায় ৪,৩৫,৪৩০ (চার লাখ পয়ত্রিশ হাজার চারশত ত্রিশ) টাকা ।

বিভিন্ন সময় যখন অভিযোগকারী সভাপতি-সম্পাদক-সহ: সভাপতি-ক্যাশিয়ার এর কাছে তাদের জমাকৃত টাকা ফিরত চায়, সে সময় দ্বায়িত্বশীল চার ব্যক্তিবর্গ টাকা ফিরত না দিয়ে একে অপরের উপর দোষারোপ করতে থাকেন।

এতে নিতান্তই খেটে খাওয়া অসহায় গরীব মানুষ। তারা কেউ ডিম বিক্রি করে এবং মুদি দোকান করে তাদের কষ্টার্জিত টাকা ভবিষ্যতে মুনাফা লাভের আশায় দৈনিক, সাপ্তাহিকও মাসিক হারে সচ্ঞয় জমা রেখেছিল। এই টাকা সমিতির সভাপতি-সহ:সভাপতি-সম্পাদক-ক্যাশিয়ার সহ যারা দ্বায়িত্বে ছিলেন তারা কৌশলে তাদের টাকা আত্মসাত করবার অপচেষ্টায় ব্যস্ত আছে মর্মে অভিযোগে জানা যায়, তাদের ভাষ্য আমরা গরীব মানুষ আমাদের টাকা ফেরত দেবার ব্যবস্থা করে দেন।

অর্থ আত্মসাত এর ব্যাপারে সমিতির সভাপতি মো: জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমি সভাপতি ছিলাম ২০১২-১৩-১৪-১৫ইং সাল পর্যন্ত। তাও আবার নামে মাত্র।সমিতিতে কে কখন কাকে কিভাবে টাকা পয়সা লোন দিয়েছেন আমি কিছুই জানিনা। কিভাবে সচ্ঞয় তারা আদায় করেছেন তাও জানিনা। তবে এতটুকু বলতে পারবো আমার দায়িত্ব থাকাকালীর অবস্থায় সমিতির চার বারে লাভ হয়েছিল তিন লাখ সায়ত্রিশ সহাজার টাকা। তাছাড়া আমি নিজেও এ সমিতির সদস্য ছিলাম। আমার নিজ নামীয় সাপ্তাহিক জমার পরিমান ছিল প্রায় ৭২০০০টাকা।

তাছাড়া সভাপতি বলেন যে, আমার অনুপস্থিতিতে কাশিয়ার- সম্পাদক-সহ:সভাপতি নামে বেনামে প্রায় চার লাখ টাকা সরিযে নেয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার সচ্ঞয় ৫ লাখ টাকায় পরিশোধ করেছে।

সমিতির সম্পাদক আ: হক বলেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের মোট সদস্য সংখ্যা ৫২০০জন, জমাকৃত টাকার পরিমান দাড়িয়েছিল প্রায ১৩ কোটি টাকা যা সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে জমাকৃত সচ্ঞয়ের টাকা । গত ১২ই মাচর্ ২০১২ ইং সালে প্রতিষ্টিত হয়ে ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২০ইং সাল পর্যন্ত সমিতির কার্যত্রম অব্যাহত ছিল । আমার দায়িত্ব নেবার পূর্বে পার্টনারশীপ ছিল ৬জন । তিন জন চলে যাওয়ার পর এবং নতুন একজন (জিয়াউর) যোগ দিলে সমিতির দায়িত্বশীল বডিতে আমরা চারজন দায়িত্ব গ্রহন করি।

পূর্বের তিনজন চলে যাওয়ার সময় তাদের লভ্যাশের পাচ লাখ একষট্টি হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। আমি দায়িত্ব গ্রহনকালে মূলধনের পরিমান ছিল (৫০-৬০) লাখ টাকা আপনারা কত বেতন নিতেন? বলেন, সভাপতি– সহ: সভাপতি আট হাজার টাকা ,সম্পাদক-ক্যাশিয়ার দশ হাজার টাকা মাসিক হারে বেতন নিতাম ।

আমাদের দ্বন্ধের মূল কারণ সভাপতি এবং ক্যাশিয়ার । কোন মিটিং ডাকলে সভাপতি-সম্পাদক সে মিটিং এ উপস্থিত থাকতেন না। অভ্যন্তরীন কোন্দল যখন বেশী মাত্রায় দেখা দেয় সে সুযোগে সভাপতি নিজ ক্ষমতাবলে এমদাদের দ্বারা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান চিত্তবাবুর মাধ্যমে মাধ্যমে পূরো কমিটি পরিবর্তন করবার অপচেষ্টা করেন।

কোষাধ্যক্ষ এককভাবে (২০১৮-২০২০) মোট ২-৩ সাল পর্যন্ত একাই অফিস পরিচালনা করেন । সমিতির সমস্ত টাকা ব্যাংকে জমা না রেখে একাই হস্তগত করেন ।আমার যানামতে সে সময় কোষাধক্ষের হাতে টাকা ছিল সাত লাখ। সে সময় লেনদেন কার্যক্রমকোষাধ্যক্ষ একাই পরিচালনা করেন। রেজুলেশন বই ও কর্মীর অংগিক্ার পত্র সহ অনেক কাগজপত্র নিজেইকোষাধ্যক্ষ সড়িয়ে রাখেন। আমি, গত জুন ২০২০ইং এ বাধ্য হয়ে মাঠ কর্মী ফখরুল এবং আ: খালেক এর মাধ্যমে এসমস্ত ঘটনা ইউএনও মহোদ্বয় আদিতমারীকে জানাই।

ইউএনও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলে তিনি সবাইকে মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মিটিং এর মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতিতে সদস্যদের টাকা দু-তৃতীয়াংশ ফিরত দানের ব্যবস্থা করেন।

সে সময় আমরা চারজন (১৫-০২-২১ইং এবং ১২-০৩-২০২১)ইং দুই তারিখে চুয়াল্লিশ লাখ একানব্বই হাজার তিন শত পচানব্বই টাকা পরিশোধ করলেও অনেক সদস্য বাকী থেকে যায় । ইউএনও মহোদ্বয় বাকী সদস্যদের টাকা স্থানীয় কামাল, হোছট মেম্বার, আ:হক, সেকেন্দার মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের দারা পরিষোধ করবার তাগিত দেন।

কিন্তু আদৌ এ পর্যন্ত প্রায় দু-তিনশ সদস্য তাদের সচ্ঞয়ের টাকা ফিরত পাননি মহিষখোচা প্রজাপতি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি: এ ক্যাশিয়ার আ: সালাম কে (০১৭৭৪৩৮৯৮৯৪) ফোন করলে তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৮ লাখ টাকা লোন করে আমি সমিতির ১৪নলাখ টাকা জড়িমানা দিয়েছি। ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই স্বাক্ষী আছেন। বাকী সদস্যের টাকা যারা পায়নি সে ব্যাপারে কি করবেন। যারা বিচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাদেরকে বলেন।

অত্র প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার আ: সালাম বলেন, মাঠে যে সমস্ত টাকা অলস পরে আছে সেগুলো তুলে সাধারণ সদস্যের মাঝে ভাগ করে দেবার দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদেরকে বলেননা কেন? তিনি গর্ব করে বলেন, মতিয়ার উকিল পর্যন্ত কিছু করতে পারেনি আর তো বাকী সব । তিনি আরো বলেন রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাদের সাথে পাওয়া যায়না। এ ক্ষেত্রে তিনি বিচারকদের দূর্বলতার কথাও বলেন ।সচ্ঞয়ের টাকা সদস্যরা না পাওয়ার পিছনে বিচারকগণ ও দ্বায়ী ।

উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল বলেন, আমি এবং আমরা যারা দায়িত্বে ছিলাম সবাই চেষ্টা করেছি বিষয়টি সমাধান করবার জন্য। আমরা কিছু টাকা সদস্যের মাঝে বিতরণ ও করেছি। তিনি ক্যাশিয়ারের কথা নাকচ করে বলেন ওনারা গরীব মানুষের মেরে খেলে তার জবাব তারাই দিবে।

অত্র সমিতির সহ:সভাপতি জিয়াউর রহমানকে ০১৭২৮৫৯২৮৪০ এ ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। টাকা ফিরত না পাওয়ার ব্যাপারে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার ০১৭১৭০১৫১৪২ নম্বরে ফোন দিলে তিনি বলেন, মহিষখোচা প্রজাপতি বাবসায়ী সমবায় সমিতি লি:এর সকল কার্যত্রম বন্ধ এবং তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে। সদস্যদের টাকা স্থানীয় কামাল, হোছট মেম্বার, আ:হক, সেকেন্দার মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের দারা পরিষোধ করবার অনুরোধ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ঘোড়াঘুড়ির এক পর্যায়ে টাকা ফেরত না পাওয়ার কারণে অত্র প্রতিষ্ঠিানের সদস্য মহুবর রহমান, সদস্য কোড নং : ৬৫১ বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট,আমলী আদালত-২ এ ৪২০/৪০৬/১০৯ ধারায় মামলা দ্বায়ের করেন । মামলা নং সিআর ১১৬/২০২১(এ) তারিখ: ২৩-০৬-২১ইং মহুবর রহমান বনাম জাহিদুল ইসলাম।

আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা মতে, অভিযোগকারীর হলফ পাঠঅন্তে জবানবন্দি গ্রহণ করে ১৬-৮-২০২১ইং তারিখের মধ্যে সমস্ত কাগজপত্র পিআরবি- ২৬১ প্রবিধান মতে ওসি আদিতমারী কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন ।

সমিতির সম্পাদক আ: হক বলেন, অত্র প্রতিষ্ঠানের মোট সদস্য সংখ্যা ৫২০০জন, জমাকৃত টাকার পরিমান দাড়িয়েছিল প্রায ১৩ কোটি টাকা যা সদস্যের বিভিন্ন মেয়াদে জমাকৃত সচ্ঞয়ের টাকা। গত ১২ই মার্চ ২০১২ ইং সালে প্রতিষ্টিত হয়ে ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২০ইং সাল পর্যন্ত সমিতির কার্যত্রম অব্যাহত ছিল। আমার দায়িত্ব নেবার পূর্বে পার্টনারশীপ ছিল ৬জন। তিন জন চলে যাওয়ার পর এবং নতুন একজন (জিয়াউর) যোগ দিলে সমিতির দায়িত্বশীল বডিতে আমরা চারজন দায়িত্ব গ্রহন করি । পূর্বের তিনজন চলে যাওয়ার সময় তাদের লভ্যাশের পাচ লাখ একষট্টি হাজার টাকা নিয়ে চলে যায় । আমি দায়িত্ব গ্রহনকালে মূলধনের পরিমান ছিল (৫০-৬০) লাখ টাকা আপনারা কত বেতন নিতেন ? বললে বলেন, সভাপতি – সহ: সভাপতি আট হাজার টাকা ,সম্পাদক-ক্যাশিয়ার দশ হাজার টাকা মাসিক হারে বেতন নিতাম । আমাদের দ্বন্ধের মূল কারণ সভাপতি এবং ক্যাশিয়ার । কোন মিটিং ডাকলে সভাপতি-সম্পাদক সে মিটিং এ উপস্থিত থাকতেন না ।

অভ্যন্তরীন কোন্দল যখন বেশী মাত্রায় দেখা দেয় সে সুযোগে সভাপতি নিজ ক্ষমতাবলে এমদাদের দ্বারা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান চিত্তবাবুর মাধ্যমে মাধ্যমে পূরো কমিটি পরিবর্তন করবার অপচেষ্টা করেন । কোষাধ্যক্ষ এককভাবে (২০১৮-২০২০) মোট ২-৩ সাল পর্যন্ত একাই অফিস পরিচালনা করেন । সমিতির সমস্ত টাকা ব্যাংকে জমা না রেখে একাই হস্তগত করেন ।আমার যানামতে সে সময় কোষাধক্ষের হাতে টাকা ছিল সাত লাখ। সে সময় লেনদেন কার্যক্রমকোষাধ্যক্ষ একাই পরিচালনা করেন। রেজুলেশন বই ও কর্মীর অংগিক্ার পত্র সহ অনেক কাগজপত্র নিজেইকোষাধ্যক্ষ সড়িয়ে রাখেন।

আমি, গত জুন ২০২০ইং এ বাধ্য হয়ে মাঠ কর্মী ফখরুল এবং আ: খালেক এর মাধ্যমে এসমস্ত ঘটনা ইউএনও মহোদ্বয় আদিতমারীকে জানাই। ইউএনও মহোদ্বয় উপজেলা সমবায় কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিলে তিনি সবাইকে মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে মিটিং এর মাধ্যমে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতিতে সদস্যদের টাকা দু-তৃতীয়াংশ ফিরত দানের ব্যবস্থা করেন।

সেসময় আমরা চারজন (১৫-০২-২১ইং এবং ১২-০৩-২০২১) ইং দুই তারিখে চুয়াল্লিশ লাখ একানব্বই হাজার তিন শত পচানব্বই টাকা পরিশোধ করলেও অনেক সদস্য বাকী থেকে যায় । ইউএনও মহোদ্বয় বাকী সদস্যদের টাকা স্থানীয় কামাল, হোছট মেম্বার,রআ:হক, সেকেন্দার মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের দারা পরিষোধ করবার তাগিত দেন।

কিন্তু আদৌ এ পর্যন্ত প্রায় দু-তিনশ সদস্য তাদের সচ্ঞয়ের টাকা ফিরত পাননি মহিষখোচা প্রজাপতি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লি: এ ক্যাশিয়ার আ: সালাম কে (০১৭৭৪৩৮৯৮৯৪) ফোন করলে তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৮ লাখ টাকা লোন করে আমি সমিতির ১৪লাখ টাকা জড়িমানা দিয়েছি । ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই স্বাক্ষী আছেন । বাকী সদস্যের টাকা যারা পায়নি সে ব্যাপারে কি করবেন ? যারা বিচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন তাদেরকে বলেন।

অত্র প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার আ: সালাম বলেন, মাঠে যে সমস্ত টাকা অলস পরে আছে সেগুলো তুলে সাধারণ সদস্যের মাঝে ভাগ করে দেবার দায়িত্ব নিয়েছেন, তাদেরকে বলেননা কেন ? তিনি গর্ব করে বলেন, মতিয়ার উকিল পর্যন্ত কিছু করতে পারেনি আর তো বাকী সব। তিনি আরো বলেন রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাদের সাথে পাওয়া যায়না । এ ক্ষেত্রে তিনি বিচারকদের দূর্বলতার কথাও বলেন ।সচ্ঞয়ের টাকা সদস্যরা না পাওয়ার পিছনে বিচারকগণ ও দ্বায়ী।

উপজেলা যুবলীগ সভাপতি কামাল বলেন, আমি এবং আমরা যারা দায়িত্বে ছিলাম সবাই চেষ্টা করেছি বিষয়টি সমাধান করবার জন্য। আমরা কিছু টাকা সদস্যের মাঝে বিতরণ ও করেছি ।তিনি ক্যাশিয়ারের কথা নাকচ করে বলেন ওনারা গরীব মানুষের মেরে খেলে তার জবাব তারাই দিবে ।

অত্র সমিতির সহ:সভাপতি জিয়াউর রহমান কে ০১৭২৮৫৯২৮৪০ এ ফোন করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। টাকা ফিরত না পাওয়ার ব্যাপারে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার ০১৭১৭০১৫১৪২নম্বরে ফোন দিলে তিনি বলেন, মহিষখোচা প্রজাপতি বাবসায়ী সমবায় সমিতি লি: এ্র সকল কার্যত্রম বন্ধ এবং তাদের নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে । সদস্যদের টাকা স্থানীয় কামাল, হোছট মেম্বার, আ:হক, সেকেন্দার মেম্বারসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের দারা পরিষোধ করবার অনুরোধ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ঘোড়াঘুড়ির এক পর্যায়ে টাকা ফেরত না পাওয়ার কারণে অত্র প্রতিষ্ঠিানের সদস্য মহুবর রহমান, সদস্য কোড নং : ৬৫১ বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, আমলী আদালত-২ এ ৪২০/৪০৬/১০৯ ধারায় মামলা দ্বায়ের করেন। মামলা নং সিআর ১১৬/২০২১(এ) তারিখ: ২৩-০৬-২১ইং মহুবর রহমান বনাম জাহিদুল ইসলাম। আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা মতে, অভিযোগকারীর হলফ পাঠঅন্তে জবানবন্দি গ্রহণ করে ১৬-৮-২০২১ইং তারিখের মধ্যে সমস্ত কাগজপত্র পিআরবি-২৬১ প্রবিধান মতে ওসি আদিতমারীকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102