বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ

পুলিশ দম্পতির কোল রাত্রি উপহার দিল আদালত

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বাংলার সংবাদ ডেস্ক ।। রাস্তা থেকে পুলিশের কুড়িয়ে পাওয়া নবজাতক রোজাইয়া রাত্রিকে আদালতের মাধ্যমে মায়ের কোল উপহার দিলেন চকবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ আলমগীর। এর আগে ২০১৭ ডাস্টবিন থেকে মূমূর্ষ অবস্থায় কুড়িয়ে পাওয়া একটি নবজাতককে আদালতের মাধ্যমে মায়ের কোল উপহার দিয়ে দেশজুড়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন তিনি। একুশের প্রথম প্রহরে সেই নবজাতকটিকে উদ্ধার করেছিলেন বলে নিজেই তার নাম রেখেছিলেন একুশ।

গত ২৩ এপ্রিল, শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে নগরীর জিইসি মোড় এলাকার রাস্তায় ফেলে যাওয়া নবজাতকটিকে উদ্ধার করে চকবাজার থানার ওসি মোহাম্মদ আলমগীর। পরে চিকিৎসার জন্য নবজাতকটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

শিশুটি সুস্থ হলে আদালতের মাধ্যমে নিঃসন্তান দম্পতিকে জিম্মায় দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ। রাস্তা থেকে কুড়িয়ে পাওয়া সে নবজাতকে লালনপালনের জন্য কামরুল হুদা ও ফারহানা আক্তার রূপা নামে এক দম্পতির জিম্মায় দেওয়ার আদেশ দেন আদালত।

২৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় ভার্চ্যুয়াল কোর্টের মাধ্যমে এই আদেশ দেন চট্টগ্রাম আদালতের নারী ও শিশুনির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-৫ এর বিচারক ওসমান গণি। ২০ লক্ষ টাকা বন্ড জিম্মায় বাংলাদেশ পুলিশের উপ পরিদর্শক কামরুল হুদা ও ফারহানা আক্তার রূপার কোলে জায়গা হয় শিশুটির। এসময় ভার্চ্যুয়াল কোর্টে উপস্থিত ছিলেন শিশুটিকে লালন পালনের জন্য জিম্মায় নিতে আগ্রহী অপর আবেদনকারী ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেনও।

আদালত সূত্রে জানা যায়, প্রক্রিয়া শুরুর পর নিঃসন্তান দুই দম্পতি শিশুটিকে জিম্মায় নিতে আবেদন করেন আদালতে। তার মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের আরআরএফ রিজার্ভ ফোর্সের উপ পরিদর্শক (্এসআই) কামরুল হুদা ও ফারহানা আক্তার রূপা দম্পতি এবং ব্যাবসায়ী আওলাদ হোসেন। দুই দম্পতিই শিশুটিকে জিম্মায় নিতে যে কোনো পরিমাণের বন্ড দিতেও রাজি হন।

ভার্চ্যুয়াল আদালতে দুই দম্পতির অবেদন শোনেন বিচারক। তাঁদের সাথে সরাসরি কথাও বলেন। ব্যাবসায়ী আওলাদ হোসেনের স্ত্রী আদালতে উপস্থিত না থাকলেও সস্ত্রীক আদালতে উপস্থিত থেকে একটি সন্তানের জন্য নিজেদের আকুতির কথা জানান কামরুল হুদা ও ফারহানা আক্তার রূপা।

শুনানী শেষে আগামী ৩০ মে একজন স্থানীয় এক ব্যক্তি ও একজন উকীলসহ আদালতের সামনে শিশুটিকে সশরীরে উপস্থিতি নিশ্চিত করে ২০ লক্ষ টাকা বন্ড ও হলফ নামা তৈরির দিন ধার্য করেন শিশুটিকে কামরুল হুদা ও ফারহানা আক্তার রূপা দম্পতির জিম্মায় দেন আদালত।

ওসি মোহাম্মদ আলমগীর সিএমপির আকবরশাহ থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরীর কর্নেলহাট এলাকার একটি ডাস্টবিন থেকে মূমূর্ষ অবস্থায় এক নবজাতককে উদ্ধার করেছিলেন। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দীর্ঘ দিন চিকিৎসা শেষে আদালতের মাধ্যমে নবজাতক শিশুটিকে জিম্মায় নেন চিকিৎসক জাকির দম্পতি।

একুশের প্রথম প্রহরে শিশুটিকে উদ্ধার হয় বলে ওসি মোহাম্মদ আলমগীর নিজেই শিশুটির নাম রেখেছিলেন একুশ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102