শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

পাটগ্রামে মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট : থানায় অভিযোগ

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

হাসান জুয়েল, পাটগ্রাম ।। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় গত শনিবার (০৫ জুন) সন্ধায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পাটগ্রাম থানায় মুক্তিযোদ্ধা সাবাতুল্লাহ বাদি হয়ে একটিসহ পৃথক আরও দুইটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রোববার (০৬ জুন) পাটগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক আহবায়ক জাকির হোসেনসহ মুক্তিযোদ্ধারা পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সাথে দেখা করে মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিটের উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনা না হলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার ৪ জুন উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের উফারামারা কল্লাটারি গ্রামের নিজ বাড়ির কাজে মুক্তিযোদ্ধার নাতি রবিউল ইসলাম ট্রলিতে করে বালু আনতে থাকে। ওইদিন সকাল ১০ টায় রাস্তা দিয়ে বালু পরিবহণে চাঁদা দাবি করে একই গ্রামের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মিনহাজ পারভেজ মিরাজ। এ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার নাতি ও ট্রলির চালকের সাথে মারপিটের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে সন্ধায় এক বৈঠক বসে। বৈঠকে ডাঙ্গাপাড়া এলাকার মিরাজ, রশিদুল ইসলাম, পানবাড়ি জোড়াব্রীজ এলাকার এফআই রানা, গুড়িয়াটারি এলাকার রাশেদসহ অজ্ঞাতনামা লোকজন মুক্তিযোদ্ধা ও তার নাতি এবং ট্রলি চালককে এলোপাথারী মারপিট করে।

স্থানীয়রা মুক্তিযোদ্ধাসহ আহতদের উদ্ধার করে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

ভুয়া কথিত সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবি ও মারপিটের ঘটনা উল্লেখ করে রাতে পাটগ্রাম থানায় মুক্তিযোদ্ধা সাবাতুল্লাহ বাদি হয়ে একটি অভিযোগ দেন। একই ঘটনা উল্লেখ করে ট্রলির চালকের বাবা রশিদুল ইসলাম ও মুক্তিযোদ্ধার নাতি আতাউর রহমান বাদি হয়ে পৃথক আরও দুইটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মুক্তিযোদ্ধা সাবাতুল্লাহ’র দাবি কথিত সাংবাদিক পরিচয়ে টাকা নিতে না পেয়ে মিনহাজ তার লোকজন নিয়ে আমার বুকে মারাত্মক আঘাত করে এবং বাড়ির মহিলাদেরকেও বেধড়ক মারপিট করে।

মিনহাজ পারভেজ মিরাজের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ।

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উপজেলা কমিটির ও পাটগ্রাম রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি সাফিউল ইসলাম প্রধান বলেন, মুক্তিযোদ্ধার গায়ে হাত দেয়া, এটা অত্যন্ত নিন্দনীয় কাজ। দোষীদের অতিদ্রত আইনের আওতায় আনা হউক।

পাটগ্রাম থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, চাঁদাবাজি ও মারপিটের ঘটনায় চারটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102