সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
“বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই” বেতন বৈষম্য নিরসনে লালমনিরহাটে মানববন্ধন সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের মরদেহে ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি লালমনিরহাটে ক্যাবে’র মতবিনিময় সভা লালমনিরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী লালমনিরহাটের প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ আমবাড়ীতে শ্রমিক লীগের আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন নভেম্বরে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে লালমনিরহাটে রক্তদান কর্মসূচী ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ শেখ হাসিনা বহির্বিশ্বেও অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক : রাষ্ট্রপতি

পরশ মনিকে ফলো করেন মামুনুল: অশ্লীল পেজ ফলো করার প্রমাণ মিললো!

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮২ বার দেখা হয়েছে

নতুন বাংলার সংবাদ।। হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জে নারীসহ অবরুদ্ধ হওয়ার পর থেকে তাকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শেষ হচ্ছে না। গ্রামের চায়ের দোকান থেকে শুরু করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে জাতীয় সংসদেও। যদিও শুরু থেকেই ওই নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছিলেন মাওলানা মামুনুল হক। এবার মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অশ্লীল পেজ ফলো করার প্রমাণ মিললো।

সোনারগাঁওয়ের রয়াল রিসোর্টে গত শনিবার (৩ এপ্রিল) নারীসহ তাকে অবরুদ্ধ করেছিল স্থানীয় লোকজন। এরপর পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। মুক্ত হওয়ার পর লাইভে এসে বক্তব্য দেন মাওলানা মামুনুল হক। ফেসবুকে একটি প্রোফাইল থেকে মামুনুল হক লাইভে আসেন। এই আইডি থেকে লাইভে মামুনুল দাবি করেন, ‘আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সাংবাদিক ও পুলিশ আমার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করেননি। কিছু বাইরের লোক খারাপ আচরণ করেছে। আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম।’ মামুনুল হকের দাবি, সঙ্গে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়বা। তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী।
প্রায় তিন লাখ ফলোয়ার বিশিষ্ট যে প্রোফাইল থেকে মামুনুল এসব কথা বলেন সে প্রোফাইলটিতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে পরশমনি নামে একটি পেজে ফলো দেওয়া রয়েছে। ‘পরশমনি’ নামের ওই পেজে সর্বশেষ কয়েকটি পোস্ট মামুনুল হককে নিয়ে হলেও এর আগেকার বেশিভাগ পোস্টই ভাষায় প্রকাশের অযোগ্য সব বিষয় নিয়ে। অশ্লীল এ পেজটিতে বিভিন্ন সময়ে ধারণকৃত এবং ভাইরাল হওয়া বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এ ভিডিওগুলোর বেশিরভাগই গোপনে ধারণকৃত।

মামুনুল হক আমেনা তৈয়বা নামে যে নারীকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেন তার আসল নাম জান্নাত আরা ঝর্ণা। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও গণমাধ্যমে প্রচারের পর এ নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। জান্নাতের বাবার বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায়ও এখন ঝর্ণাকে নিয়েই চলছে আলোচনার ঝড়। তবে জান্নাতের আগে বিয়ে হয়েছে, দুটি সন্তানও আছে, এ কথা সবাই জানলেও দ্বিতীয় বিয়ের কোনো খবরই জানেন না এলাকাবাসী।
সরেজমিনে রোববার (৪ এপ্রিল) ঝর্ণার গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তার বাবা ও মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাদের মেয়ে জান্নাত আরা ঝর্ণার নয় বছর বয়সে বিয়ে হয়েছিল হাফেজ শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে। তার বাড়ি বাগেরহাটের কচুড়িয়া এলাকায়। তাদের আব্দুর রহমান (১৭) ও তামীম (১২) নামে দুজন ছেলে রয়েছে।

পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে আড়াই বছর আগে তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপরে দু’বছর আগে পরিবার থেকে পাত্র দেখে মেয়েকে বিয়ে করার কথা বললে ঝর্ণা বলত তার বিয়ে হয়ে গেছে, তাই তার জন্য আর কোনো পাত্র না দেখতে। তবে কার সঙ্গে সে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে, সে কথাটি পরিবারকে জানায়নি কখনো। শুধু একবার ভিডিও কলে তার দ্বিতীয় স্বামী মামুনুল হককে দেখিয়েছিল। কিন্তু তারা বুঝতে পারেনি তিনি ছিলেন মাওলানা মামুনুল হক।

প্রথম স্বামী হাফেজ শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদুল্লাহর সঙ্গে জান্নাত আরা ঝর্ণার পরিবারের কোনো যোগাযোগ আছে কিনা জানতে চাইলে তারা জানান, ডিভোর্সের পরে তার সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ রাখেনি তারা। তাই হাফেজ শহীদুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগের কোনো মাধ্যম না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102