মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:০৬ অপরাহ্ন

নব-জাতীয়করণকৃত প্রাঃ শিক্ষকদের বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৮৪ বার দেখা হয়েছে

জয়ন্ত সাহা যতন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ নব-জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন দাবির আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপজেলার নব-জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকগণের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার নব-জাতীয়করণকৃত সকল শিক্ষকগণের টাইমস্কেল, উন্নীতস্কেল, বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে শিক্ষকগণের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন ফতেখাঁ বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ বদিউল কারেমিন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন ২০১৩ সালের পহেলা জানুয়ারি সকল রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ এবং শিক্ষক শিক্ষিকাগণের চাকুরিও বিধি মোতাবেক জাতীয়করণ করা হয়। বিশাল এই কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয় ২০১৩ সালের ২৫ নভেম্বর অধিগ্রহণকৃত বিদ্যালয় ও শিক্ষকগণের তালিকাসহ পদ-পদবি উল্লেখ করে আরো একটি পরিপত্র জারি করেন। পরে ২০১৪ সালের ২১ জানুয়ারি প্রাথথিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয় জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক এবং প্রশিক্ষণ বিহীন প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকগণের সরকারি বেতনস্কেল অনুযায়ী আর্থিক প্রাপ্যতা প্রদান প্রসঙ্গে একটি পরিপত্র জারি করেন। একই সালের ০৯ মার্চ অপর একটি পরিপত্রে জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষকগণকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নিতকরণ করা হয় এবং সেই অনুপাতে বেতনস্কেল প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয়ের ২০১৪ সালের ০৬ নভেম্বর একটি পরিপত্র জারির মাধ্যমে অধিগ্রহণকৃত/আত্তিকৃত শিক্ষকগণের চাকুরিকাল গণনা করে বকেয়া পাওনাদি পরিশোধের নির্দেশনা দেয়া হয়। এরপর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয় ২০১৪ সালের ০৯ নভেম্বর সকল জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণের টাইমস্কেল/সিলেকশন গ্রেড ও পিআরএল মঞ্জুরী করার নির্দেশনা দিয়ে আরোও একটি পরিপত্র জারি করেন। পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ০৭ জানুয়ারি গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একটি পরিপত্রের মাধ্যমে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণের তালিকা প্রণয়ন এবং পদ-পদবি উল্লেখসহ ১ম/২য়/৩য় টাইমস্কেল প্রদানের অনুমতি প্রদান করেন। যার আলোকে আমরা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার নব-জাতীয়করণকৃত সকল শিক্ষকগণ ১ম/২য়/৩য় টাইমস্কেল গ্রহণ করেছি। পরে ২০১৮ সালের ০৩ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে প্রধান শিক্ষকগণকে উন্নীত স্কেল প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তিনি আরোও বলেন, চলতি বছরের ২১ সেপ্টেম্বর প্রাথথিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রানালয় একটি পরিপত্র জারি করেন। পরিপত্রে নব-জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণের বকেয়া বেতন-ভাতাদি প্রদানের জন্য বরাদ্দপত্র নিধার্রিত ছক আকারে প্রেরণের জন্য উপজেলা ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকতার্কে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এতো কিছুর পরেও আমরা বকেয়া বেতন-ভাতা পাচ্ছিনা। উপরোক্ত পরিপত্র, নির্দেশনা, প্রজ্ঞাপন, গেজেট ইত্যাদি থাকা সত্বেও আমরা নব-জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণ বকেয়া বেতন-ভাতা তেকে বঞ্চিত। তাই অতিদ্রুত বকেয়া বেতন-ভাতা দেয়া হোক। সংবাদ সম্মেলনে নব-জাতীয়করণকৃত প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক, আনিছুর রহমান, আজাহার আলী, যোগেন্দ্র নাথ বর্মন, আলতাব হোসেন, শফিকুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমানসহ ১৫/১৬ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এসময় গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন শিক্ষকগণ।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102