সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ

জীবন যুদ্ধে কর্মহীন মানুষ!

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৫৩ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

২৫ শতাংশ কর্মজীবীর বেতন কমেছে ১৪ শতাংশ মানুষের ঘরে কোনো খাবারই নেই ১৩ ভাগ মানুষ করোনাকালে চাকরি হারিয়েছেন। সব চেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন তরুণ প্রজন্ম, তাদের ২৪ ভাগেরও বেশি বেকার দারিদ্র্যের হার আগের তুলনায় বেড়ে গেছে ৬০ শতাংশ নতুন কর্মসংস্থানের কোনো সুযোগ নেই!

বাংলার সংবাদ ডেস্ক ।। করোনায় দেশের অর্থনীতিতে নেমে এসেছে স্থবিরতা। করোনার কারণে অনেকেরেই নেই কর্ম। কোথা থেকে আসবে অর্থ সেই হিসাবও নেই তাদের। কিন্তু প্রতিদিন হিসাবের খাতা চলমান। এই মুহূর্তে কর্মহীন মানুষরা জীবন বাঁচানোর যুদ্ধে আছেন। এর শেষ কোথায় তাও তাদের জানা নেই। বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের জরিপে দেখা যায়, চরম দারিদ্র্যের হার আগের তুলনায় বেড়ে গেছে ৬০ শতাংশ। যাদের ভেতরে ১৪ শতাংশ মানুষের ঘরে কোনো খাবারই নেই। কর্মহীন ব্যক্তিদের অভিমত, করোনার কারণে তাদের চাকরি নেই। কিন্তু সংসার চালাতে হচ্ছে। বাসা ভাড়া থেকে শুরু করে সব কিছু চলমান, কিন্তু অর্থের কোনো যোগান নেই। ধার করে চলার মতো অবস্থাও নেই তাদের। এমতাবস্থায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। এসব হতভাগ্যের ভাষ্য- কিভাবে ছেলে-মেয়ে নিয়ে সামনের দিনগুলো কাটবে তা জানেন না তারা। আর এভাবে চলতে থাকলে জীবন বাঁচানো দায় হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) বলছে, প্রাতিষ্ঠানিক খাতে চাকরি করেন এমন ১৩ ভাগ মানুষ করোনাকালে চাকরি হারিয়েছেন। আবার চাকরি আছে কিন্তু বেতন নেই- এমন মানুষের সংখ্যা আরও অনেক। এ ছাড়া ২৫ শতাংশ কর্মজীবীর বেতন কমেছে। এদিকে গত দেড় বছর ধরে দেশে সরকারি চাকরির নিয়োগ কার্যক্রমও পুরোপুরি বন্ধ। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীনস্ত দফতরগুলোতে প্রায় চার লাখ শূন্য পদ আছে। এসব পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেও করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে বারবার লকডাউন ঘোষণার কারণে পরীক্ষা নিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ তো হচ্ছেই না, উল্টো অনেক প্রতিষ্ঠানে ছাঁটাই চলছে। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের হাহাকার ও দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে।

গত দুই অর্থবছরে অর্থনীতিতে এক হাজার ৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে বলে গত ২৯ জুন সংসদকে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছোট ছোট শিল্পকারখানা বন্ধের পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জীবনেও নেমে এসেছে অন্ধকার। এ সময়ে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের কোনো সুযোগ তৈরি হয়নি, উল্টো চাকরি হারিয়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। কাজ হারিয়ে বেকার ও আগে থেকে চাকরিপ্রত্যাশী- এ বিপুলসংখ্যক মানুষের কাজের সংস্থান করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এমন কঠিন বাস্তবতা থেকে উত্তরণে নতুন বাজেটে সুস্পষ্ট কোনো পরিকল্পনাও ঘোষণা করেনি সরকার। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, কোভিড ১৯-এর কারণে বাংলাদেশের অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে (এমএসএমই) কর্মরত ৩৭ শতাংশ মানুষ বেকার হয়েছেন। বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ২০ শতাংশ আসে এ এমএসএমই প্রতিষ্ঠান থেকে। প্রায় দুই কোটি নারী-পুরুষ এ খাতে কাজ করেন। আইএফসির এ সমীক্ষা আরও এক বছর আগের। আর শ্রমিক সংগঠনগুলো বলছে, করোনার কারণে তৈরি পোশাক খাতের কয়েক লাখ শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ভাষ্য, করোনা মহামারির কারণে সবচেয়ে ঝুঁঁকিতে তরুণ প্রজন্ম। ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ২৪ দশমিক ৮ শতাংশই বেকার হয়েছেন। করোনায় তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার দ্বিগুণ হয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে, সবাই যদি পূর্ণকালীন কাজ করতেন (সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা), তা হলে বাংলাদেশে করোনায় ১৬ লাখ ৭৫ হাজার তরুণ-তরুণী কাজ হারিয়েছেন। গত ৪ জুন চলতি অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল বলেন, দেশের জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের বেশি তরুণ, যার হার উন্নত বিশ্বে ২০ থেকে ২৫ শতাংশের বেশি নয়। এছাড়া প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখেরও বেশি মানুষ দেশের শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে। তবে বাজেট বক্তৃতায় শুধু তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ১০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি ছাড়া কর্মসংস্থান সৃষ্টির কোনো রূপরেখা দেননি অর্থমন্ত্রী। ফলে বিপুলপরিমাণ বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের বিষয়টি সরকারের পরিকল্পনার বাইরেই থেকে গেছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা।

সদ্য চাকরি হারানো আরিফ হোসেন বলেন, রামপুরা একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম। ৫ মাস হয়েছে চাকরি হারিয়েছি। বিভিন্ন কাজ করে এতদিন সংসার চলেছে। কিন্তু এখন আর কোন পথ নেই। কারণ যে কাজ করতাম এখন সেই কাজও বন্ধ। সংসারে কোনো খাবারও নেই। অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তার।

অন্য আরেক বেকার যুবক আবু বক্করের মুখে একই কথা, তিনি বলেন, ফুটপাতে কাপড় বিক্রি করে সংসার চালাতাম। এখন সেটাও বন্ধ। ৬ মাস হয়েছে বিয়ে করেছি। বাসা ভাড়া বাকি তিন মাসের। মালিক প্রতিদিন বাসাভাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। এখন কি করবো কোন উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। ধার-দেনাও করেছি অনেক।

মানিকনগর থেকে চাকরি হারানো সোহেল রানা বলেন, আমি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করতাম। ৮ মাস হলো চাকরি চলে গেছে। এখন বাধ্য হয়ে আমি রাস্তায় রাস্তায় কাচাঁ সবজি বিক্রি করছি। করোনায় মানুষের হাতে টাকা নেই, সারাদিনে পাচঁ টাকাও টিকে না, মাসে মাসে ঋণের টাকার সুদ দিতে হয়। ঢাকায় ঘর ভাড়া এবং গ্রামে পরিবারের জন্য টাকা পাঠাতে গেলে আর কোন টাকাই থাকে না। এই করোনায় সংসার নিয়ে মহাকষ্টে আছি।

দেশের ৬৪ জেলায় ২ হাজার ৬৭৫ জন নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে পরিচালিত বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের চালানো এক জরিপে দেখা যায়, চরম দারিদ্র্যের হার আগের তুলনায় বেড়ে গেছে ৬০ শতাংশ। ১৪ শতাংশ মানুষের ঘরে কোনো খাবারই নেই। করোনায় অনেকেরই পরিবর্তন হয়ে গেছে পেশা। সরকার এই লকডাউনে দিনমজুর, রিকশা বা ভ্যান চালক, মোটর শ্রমিক ও নির্মাণ শ্রমিক, পত্রিকার হকার, হোটেল শ্রমিকসহ অন্যান্য পেশার মানুষ যারা দীর্ঘ ছুটি বা আংশিক লকডাউনের ফলে কাজ হারিয়েছেন, তাদের সহায়তার জন্য ৭৬০ কোটি টাকা প্রণোদনা বরাদ্দ দেন। ঠিক কতটা কার্যকর হয়েছিল সরকারের ঘোষিত এই প্রণোদনা?

এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাত বলেন, করোনায় কৃষিখাতে কাজ হারিয়েছেন ১ কোটি ১৪ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রায় ৪৬ লাখ মানুষ পুনরায় কাজে ফিরতে পারেননি। এছাড়া শিল্পখাতে প্রায় ৯৩ লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। যার ৩৭ লাখ শ্রমিকের তাদের কাজ হারানোর শিল্পে ফেরার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি সেবা খাতে ১ কোটি ৫৩ লাখ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। এদের মধ্যে ৬১ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। তিনি আরো বলেন, করোনায় কর্মহীন জনগোষ্ঠী নিয়ে তার গবেষণায় উঠে এসেছে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের ১ কোটি ৪৪ লাখ কর্মী কাজ হারিয়েছেন অর্থাৎ এখনও কাজে ফিরতে পারেননি। শুধু লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়েছেন ৩ কোটি ৫৯ লাখ ৭৩ হাজার ২৭১ জন। অর্থাৎ মোট কর্মগোষ্ঠীর ৫৯ শতাংশ মানুষই কর্মহীন হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বেকার হয়েছে সেবাখাতে।

বাংলাদেশে আগেও চাকরির সংকট ছিল। কোভিডের কারণে সে সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। ফলে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের চাকরির পেছনে না ছুটে বিকল্প পেশা খুঁজতে হবে। উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখতে হবে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। তারা যদি কৃষিতে মনোযোগ দেয়, তা হলে আমাদের কৃষি খাত বড় সাফল্য পাবে। তরুণদের কর্মসংস্থানও হবে। কিন্তু আমাদের তরুণ-তরুণীদের মানসিকতা সেভাবে গড়ে ওঠেনি। তারা অফিস-আদালতের চাকরিতেই বেশি প্রাধান্য দেয়। আর এই মনোযোগের কারণে সামাজিক অবস্থান সৃষ্টিতে চাকরির বিরাট প্রভাব রয়েছে। আবার অনেকেই হাতে মাটি লাগবে এমন কাজ করতে অনাগ্রহী। এ মানসিকতার পরিবর্তন খুবই জরুরি। পরিবর্তন করা গেলে অনেক সমস্যারই সহজ সমাধান হবে।

অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক সৈয়দ আহসানুল আলম পারভেজ বলেন, করোনায় শুধু আমার দেশের মানুষের কর্মহীন হয়ে পড়েছে এমন নয়, পুরো পৃথিবীতেই জুুড়েই বড় একটি অংশের মানুষ কর্মহীন ও দারিদ্র সীমার নিচে নেমে গেছে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাত রয়েছে যেমন- পর্যটন, হোটেল, রিসোর্ট, রিকন্ডিশন গাড়ি বিক্রি, শপিংমলসহ আরো কিছু খাতে যারা কাজ করতেন তারা সবাই মোটামুটি কর্মহীন।

তিনি আরো বলেন, এছাড়া ছোট ও নিম্ন আয়ের লোক, যেমন- ড্রাইভার, গার্ড, কেয়ারটেকার, দারোয়ান এরা তাদের পরিবার নিয়ে শহরে থাকত। শহরে বাড়ি ভাড়া ও শহরের খরচ সংকোচনের কারণে ৮০ লাখ মানুষ গ্রামে চলে গেছে। তবে যারা চাকরি গুরুত্বপূর্ণ খাতে চাকরি করতো। তারা যে চাকরিচ্যূত হয়েছে। এ ব্যাপারে কী মালিকদের কোন দায়িত্ব নেই? এরকম প্রশ্ন যদি আসে তাহলে সেখানে আমাকে উত্তর দিতে হয়, আইনগতভাবে মালিকপক্ষের কোন দায়িত্ব নেই। কারণ মালিক পক্ষ নিজেরাই কষ্টে পড়েছে। তারাই ব্যাংকের লোন ও সুদ এবং বিদ্যুৎ বিল দিতে পারছে না। কর্মচারিদের বেতন দিতে না পেরে নিজেরাই দুঃখিত। নিজেরাই তাদের সংসার চালাতে পারছে না। এখানে মালিকদের কোন দায়িত্ব নেই। কিন্তু নৈতিকভাবে আবার দায়িত্ব আছে। এ ধরনের কথা আপনারা সবাই জানেন, সব ধর্মেই আছে এমনকি ইসলাম ধর্মেই রয়েছে। যেখানে আমাদের রাসুল (স.) বলেছেন, পাশের বাসার মানুষকে অভুক্ত রেখে আপনার খাওয়াটা শুদ্ধ নয়। পাশের বাসার মানুষকে/প্রতিবেশিকে অভুক্ত রেখে রাসুল (স.) কখনো নিজেও খাননি। খাওয়া শেয়ার করেছেন। মালিকপক্ষ যেহেতু তার অবস্থা গরিবের চাইতে মানে কর্মচারীদের থেকে তার অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো, তারও উচিত ধার দেনা করে হলেও এদেরকে বাঁচিয়ে রাখা।

করোনার বর্তমান প্রাদুর্ভাব বিষয়ে বলেন, করোনা বাড়ার জন্য শতভাগ দায়ি আমার দেশের মানুষ। ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা হচ্ছে তাৎক্ষণিক ভাবে করোনা সংক্রমণকে থামিয়ে দেওয়া। কিন্তু ভ্যাকসিন দেওয়ার পরে, ভ্যাকসিন দাতা নিজেই তিন বা চার মাস পরে অন্যজনকে সংক্রমণ করতে পারে। ভ্যাকসিন দিয়ে এই মুহূর্তে আমরা চাচা- আপন প্রাণ বাঁচা- করতে পারব। একটা দীর্ঘকালিন সময় তথা দুই থেকে তিন বছর। কারণ পৃথিবীতে সাত বিলিয়ন মানুষ আছে। সাত বিলিয়ন মানুষের কথা যদি বলি, ভারতের ১৩৬ কোটি মানুষের কথা যদি বলি, কি পরিমাণ সময় তাদের লাগবে এবং লাগছে। আমাদের দেশে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক সব ব্যবস্থা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীকে এটা তৈলমর্দন নয়। আমাদের দেড় থেকে-দুই কোটি টিকা চলে আসছে, আসার পথে আছে।

আমরা টিকা দিলে আমদের মৃত্যুর হার কমে আসবে। মৃত্যুর হারকে গ্রহণযোগ্য হারে নিয়ে আসতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। আমি নিজে মাস্ক পরি তাইলে ৭০% সেইভ, আমি যার সাথে কথা বলছি সে মাস্ক পরলে ৯৫% সেইভ। যে মাস্ক পরবে না তার সাথে কথা বলা যাবে না। ‘নো মাস্ক নো এন্ট্রি। নো মাস্ক নো ডিসকাশন ’ মাস্ক ছাড়া যে কথা বলছে সে যমদূত, তার সাথে কথা বলবেন না। তাকে এড়িয়ে চলা মানেই নিজের সমাজিক দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102