মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
“বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই” বেতন বৈষম্য নিরসনে লালমনিরহাটে মানববন্ধন সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের মরদেহে ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি লালমনিরহাটে ক্যাবে’র মতবিনিময় সভা লালমনিরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী লালমনিরহাটের প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ আমবাড়ীতে শ্রমিক লীগের আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন নভেম্বরে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে লালমনিরহাটে রক্তদান কর্মসূচী ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ শেখ হাসিনা বহির্বিশ্বেও অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক : রাষ্ট্রপতি

ছদ্মবেশে থানায় কমিশনার, অভিযোগ নিলো না পুলিশ!

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ মে, ২০২১
  • ২৩০ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। প্রশাসনিক কাজকর্ম খতিয়ে দেখার জন্য অনেক আগে প্রশাসকরা ছদ্মবেশে হাজির হতেন । সাধারণ মানুষ সেজে প্রশাসনিক কর্তাদের মাঝে যেতেন সমাজব্যবস্থা ঠিকঠাক চলছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য! কিন্তু আজকাল সেসব অতীত। এখন ডিউটির বাইরে বাড়তি দায়িত্ব নিতে কে চায়!

তবে এখনও কিছু মানুষ রয়েছেন যারা সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চান। পুণের পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ প্রকাশ এমনই একজন মানুষ। পুলিশ নিজেরর কাজ ঠিকঠাক করছে কিনা, সেটা জানার জন্য এর থেকে হয়তো ভাল উপায় আর ছিল না।

তিনি যেভাবে পুলিশের কাজ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন, তা এখনকার দিনে কেউ ভাবতেই পারে না। কাউকে কিছু না জানিয়ে সাধারন মানুষের বেশে তিনি হাজির হয়েছিলেন একের পর এক থানায়। খতিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন থানায় পৌঁছলে সাধারণ মানুষ ঠিকঠাক পরিষেবা পাচ্ছেন কিনা! অর্থাৎ সাধারণ মানুষের স্বার্থেই এমন সাজ।

কৃষ্ণ প্রকাশ একজন পাঠানের পোশাক পরে, মুখে নকল দাড়ি-গোঁফ লাগিয়ে একের পর এক থানায় হাজির হয়েছিলেন। আর এই দাদি গোঁফের কারণেই তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অনেকের ধারণা। কমিনশার সঙ্গে নিয়েছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অফ পুলিশ প্রেরণা খাটেকে। তাকে নিজের স্ত্রী হিসেবে পুলিশের কাছে পরিচয় দিয়েছিলেন কমিশনার। তারা দুজনে একের পর এক ভারতের বিভিন্ন থানায় হাজির হন।

সেখানে নিজেদের অভিযোগ দায়ের করেন। তারা আসলে দেখতে গিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষ থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসার কেমন আচরণ করেন! প্রতিটি থানায় তারা আলাদা অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

যেমন, হিঞ্জেওয়াদি থানায় তিনি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীকে কিছু সমাজবিরোধী রাস্তায় উত্ত্যক্ত করছিল। এমনকী তারা রাস্তার মাঝখানে শব্দবাজি ফাটাচ্ছিল।

এর পর ওয়াকার পুলিশ স্টেশনে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন, তার স্ত্রীর গলার সোনার চেন ছিনতাই হয়ে গিয়েছে। পরপর দুটি পুলিশ স্টেশনে তাদের অভিযোগ শুনে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হন পুলিসকর্মীরা। ওই দুই পুলিশ স্টেশনে কর্তব্যরত অফিসারদের তৎপরতা দেখে সন্তুষ্ট হন পুলিশ কমিশনার। তবে গোল বাঁধে অন্য একটি থানায়।

পিমরি চিঞ্চোয়ার থানায় গিয়ে কমিশনার অভিযোগ করেন, কোভিড আক্রান্ত রোগী নিয়ে যাওয়ার জন্য একজন অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার তাদের কাছ থেকে অনেক টাকা দাবি করছে। কিন্তু ওই থানার কর্তব্যরত অফিসার তার অভিযোগে সাড়া দেননি। বরং সেই অফিসার তার অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন।

ওই থানার পুলিশকর্মীরা তাকে বলেন, স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে গিয়ে সবার আগে অভিযোগ জানাতে! এই ব্যাপারে কোনও সহায়তা তারা করতে পারবেন না বলে জানান। এর পরই পুলিশ কমিশনার নিজের আসল পরিচয় দেন।

ইতিমধ্যে ওই থানার কর্তব্যরত পুলিশ অফিসারের কাছে জবাবদিহি চেয়েছে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ। কেন অভিযোগ নেওয়া হলো না, তার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে হবে ওই থানার পুলিশ কমিশনারকে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102