সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
“বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাই নাই” বেতন বৈষম্য নিরসনে লালমনিরহাটে মানববন্ধন সাংবাদিক রণেশ মৈত্রের মরদেহে ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি লালমনিরহাটে ক্যাবে’র মতবিনিময় সভা লালমনিরহাটে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারী লালমনিরহাটের প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ আমবাড়ীতে শ্রমিক লীগের আয়োজনে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন নভেম্বরে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে লালমনিরহাটে রক্তদান কর্মসূচী ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তের নির্দেশ শেখ হাসিনা বহির্বিশ্বেও অন্যতম সেরা রাষ্ট্রনায়ক : রাষ্ট্রপতি

চা উৎপাদন ভাল, দাম কম : লোকসানের আশঙ্কা !

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ ।।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৮৫ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এ বছর চায়ের উৎপাদন ভাল হলেও দরে নিম্নগতি হওয়ায় চা শিল্পে লোকসানের মুখে পড়েছে। গত দেড় বছর ধরে চলছে মহামারী করোনা ও লকডাউন। করোনা যাতাকলে পড়েছে উপজেলার ৫টি চা বাগান। গত বছর বিভিন্ন কারণে চায়ের উৎপাদন ছিল কম। দামও ছিল হতাশাজনক।

এ কারণে উপজেলার ব্যক্তি মালিকানাধীন নয়াপাড়া চা বাগান, বৈকন্ঠপুর চা বাগান, সুরমা চা বাগান, ন্যাশনাল টি কোম্পানী তেলিয়াপাড়া ও জগদীশপুর চা বাগান মোটা অংকের টাকা লোকসান দিতে হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।

তবে এ বছর আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবেশ চা চাষাবাদের অনুকুলে থাকায় ৫টি চা বাগানেই গত বছরের চেয়ে বেশি চা পাতা উৎপাদিত হয়েছে। কিন্তু চায়ের দর ধীরে ধীরে নিম্ন গতি হওয়ায় চা বাগান ব্যবস্থাপকরা লোকসানের আশংকায় আবার হতাশ হয়ে পড়েছেন।

চা উৎপাদনে আনুসাঙ্গিক সকল ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এখন চা বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সুরমা চা বাগান ব্যবস্থাপক আবুল কাসেম বলেন, এক কেজি চায়ের উৎপাদন খরচ পড়ে ২শ টাকার উপরে কিন্তু চায়ের নিলাম বাজারে এক কেজি চা বিক্রি হচ্ছে ২শ টাকার কাছাকাছি।

এক কেজি চা ২শ ৫০ টাকা উপরে বিক্রি করতে পারলে চা বাগান লাভবান হতো এখন চা উৎপাদনের ভরা মৌসুম এ কারণে চা বাগানে প্রচুর চাপাতার উৎপাদন হওয়ায় ক্রেতারা সিন্ডিকেট করে চায়ের দর কমিয়ে দিেেয়ছে। তিনি বলেন, চায়ের বাজার দর এখন কমতির দিকে এর ফলে চা বাগানকে লোকসান গুনতে হবে। ধান ও চালের মত সরকার যদি চায়ের একটি নির্ধারিত বাজার মূল্য নির্ধারণ করে দেয়, তাহলে চা শিল্পকে বাঁচানো সম্ভব হতো। বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশন সার্কেল চেয়ারম্যান তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম জানান।

গত কয়েক বছর ধরে চায়ের বাজার দর কম থাকায় প্রায় প্রতিটি বাগান লোকসানের মধ্যে রয়েছে এতে ব্যাংকের দেনার পরিমাণ বেড়ে গেছে। চা শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকার কমসুদে ঋণ প্রদান এবং চায়ের বাজার বাজার দর নির্ধারিত করে না দিলে লোকসানের ঘানি টানতে টানতে চা বাগানগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102