শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মই দিয়ে ৫ কোটি টাকায় সেতুতে উঠছেন স্থানীয়রা! ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল

চা উৎপাদন ভাল, দাম কম : লোকসানের আশঙ্কা !

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ ।।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০৭ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের মাধবপুরে এ বছর চায়ের উৎপাদন ভাল হলেও দরে নিম্নগতি হওয়ায় চা শিল্পে লোকসানের মুখে পড়েছে। গত দেড় বছর ধরে চলছে মহামারী করোনা ও লকডাউন। করোনা যাতাকলে পড়েছে উপজেলার ৫টি চা বাগান। গত বছর বিভিন্ন কারণে চায়ের উৎপাদন ছিল কম। দামও ছিল হতাশাজনক।

এ কারণে উপজেলার ব্যক্তি মালিকানাধীন নয়াপাড়া চা বাগান, বৈকন্ঠপুর চা বাগান, সুরমা চা বাগান, ন্যাশনাল টি কোম্পানী তেলিয়াপাড়া ও জগদীশপুর চা বাগান মোটা অংকের টাকা লোকসান দিতে হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।

তবে এ বছর আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবেশ চা চাষাবাদের অনুকুলে থাকায় ৫টি চা বাগানেই গত বছরের চেয়ে বেশি চা পাতা উৎপাদিত হয়েছে। কিন্তু চায়ের দর ধীরে ধীরে নিম্ন গতি হওয়ায় চা বাগান ব্যবস্থাপকরা লোকসানের আশংকায় আবার হতাশ হয়ে পড়েছেন।

চা উৎপাদনে আনুসাঙ্গিক সকল ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এখন চা বিক্রি করে উৎপাদন খরচ উঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। সুরমা চা বাগান ব্যবস্থাপক আবুল কাসেম বলেন, এক কেজি চায়ের উৎপাদন খরচ পড়ে ২শ টাকার উপরে কিন্তু চায়ের নিলাম বাজারে এক কেজি চা বিক্রি হচ্ছে ২শ টাকার কাছাকাছি।

এক কেজি চা ২শ ৫০ টাকা উপরে বিক্রি করতে পারলে চা বাগান লাভবান হতো এখন চা উৎপাদনের ভরা মৌসুম এ কারণে চা বাগানে প্রচুর চাপাতার উৎপাদন হওয়ায় ক্রেতারা সিন্ডিকেট করে চায়ের দর কমিয়ে দিেেয়ছে। তিনি বলেন, চায়ের বাজার দর এখন কমতির দিকে এর ফলে চা বাগানকে লোকসান গুনতে হবে। ধান ও চালের মত সরকার যদি চায়ের একটি নির্ধারিত বাজার মূল্য নির্ধারণ করে দেয়, তাহলে চা শিল্পকে বাঁচানো সম্ভব হতো। বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশন সার্কেল চেয়ারম্যান তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম জানান।

গত কয়েক বছর ধরে চায়ের বাজার দর কম থাকায় প্রায় প্রতিটি বাগান লোকসানের মধ্যে রয়েছে এতে ব্যাংকের দেনার পরিমাণ বেড়ে গেছে। চা শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকার কমসুদে ঋণ প্রদান এবং চায়ের বাজার বাজার দর নির্ধারিত করে না দিলে লোকসানের ঘানি টানতে টানতে চা বাগানগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102