বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

ঘুষ গ্রহনের অভিযোগে কাষ্টমসের দুই সিপাহী প্রত্যাহার

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
  • ৮০ বার দেখা হয়েছে
লালমনিরহাট কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ সিনেমাকেও হার মানালেন দুই কর্মরত সিপাই মোঃ রনি বাবু ( বামে ) ও ( ডানে ) ধীমান চন্দ্র রায়।

স্টাফ রিপোর্টার ।। ঘুষ গ্রহনের অভিযোগে লালমনিরহাট কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সিপাহী রনি বাবু ও ধীমান চন্দ্র রায়কে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্তে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একজন রাজস্ব কর্মকর্তা ও তিনজন ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী কমিশনার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) মোঃ আব্দুল হান্নান।

রবিবার (১৪ মার্চ) দুই সিপাহীকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই কার্যালয়ের রাজস্ব কর্মকর্তা আকরাম হোসেন।

জানা গেছে, শনিবার (১ মার্চ) রাত ১১ টায় শহরের মিশনমোর এলাকায় অবস্থিত এস আর পার্সেলের সামনে একটি পিকআপ ও দুটি অটো ভর্তি কয়েলের কার্টুন আটক করে লালমনিরহাট কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগে কর্মরত সিপাই মোঃ রনি বাবু ও ধীমান চন্দ্র রায়।

অভিযোগ ছিলো এস আর পার্সেলে কন্ডিশনের মাধ্যমে সরকারী ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে এই কয়েলগুলো লালমনিরহাটে এসেছে। সেই কয়েলগুলো আটক করে সাড়ে সাত হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করে এবং বাকি টাকা বিকাশে পাঠানোর শর্তে তাদের কয়েলগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘুষ গ্রহনের সেই ঘটনার বিশ মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ সাংবাদিকদের হাতে চলে আসে।

এ বিষয়ে, বুধবার (১০ মার্চ) দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও আঞ্চলিক পত্রিকায় “ ছবিসহ পত্রিকায় নিউজ ছাপুন, বদলি হলে মিষ্টি খাওয়াবো” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপরেই নড়েচড়ে বসে ওই কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরেই ওই দিনেই অভিযোগ তদন্তে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং সিপাহী রনি বাবু ও ধীমান চন্দ্র রায়কে প্রত্যাহার করা হয়।

রনি বাবুকে প্রত্যাহার করে জেলার পাটগ্রাম উপজেলা সার্কেলে দ্বয়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং ধীমান চন্দ্র রায়কে লালমনিরহাট কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগেই রাখা হয়েছে। ধীমান চন্দ্র রায়কে কোনা সার্কেলে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ওই কার্যালয়ের সহকারী কামিশনার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) মোঃ আব্দুল হান্নান।

লালমনিরহাট কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সহকারী কমিশনার (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব) মোঃ আব্দুল হান্নান বলেন, সংবাদটি আমার দৃষ্টিঘোচর হলে ওই দিনই আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করি। এই তদন্ত কমিটি আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবে। অভিযোগের প্রমান পাওয়া গেলেই নেওয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102