মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ

গ্রাম পুলিশকে পেটালেন চেয়ারম্যান

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার ।। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সির্ন্দুনা ইউনিয়নে ভ্রাম্যমান আদালতে সহায়তা করায় এক গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খতিব উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই সাবেক চেয়ারম্যান ও তার ভাইসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাম পুলিশ আব্দুর রাজ্জাক।

এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের উত্তর সির্ন্দুনা গ্রামের তমর চৌপথি নামক মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। তবে গ্রাম পুলিশকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন সাবেক চেয়ারম্যান খতিব উদ্দিন। পুরো ঘটনাটি একটি সাজানো নাটক দাবি ওই সাবেক চেয়ারম্যানের।

ভুক্তভোগী ওই গ্রাম পুলিশ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বুধবার দুপুরে সির্ন্দুনা ইউনিয়নের উত্তর সির্ন্দুনা এলাকায় অবৈধ ভাবে বোমা মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ঘটনায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন। আমি ওই ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশের দায়িত্বে থাকায় থানা পুলিশের সাথে থেকে ভ্রাম্যমান আদালতকে সহায়তা করি।

এ ঘটনার জের ধরে সন্ধ্যার একটু আগে তমর চৌপথি নামক মোড়ে সাবেক ইউনিয়নে চেয়ারম্যান খতিব উদ্দিন ও তার ভাই মোশারফ হোসেনসহ কয়েকজন আমাকে গতিরোধ করে আমার গায়ে পুলিশের পোশাক ছিড়ে ফেলে এবং মারধর করেন। খবর পেয়ে অন্য গ্রাম পুলিশসহ কয়েকজন ব্যক্তি গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনায় আমি বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ করেছি।

তবে সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খতিব উদ্দিন বলেন, ওই গ্রাম পুলিশকে মারধর করা হয়নি। ছোট একটা বিষয়ে নিয়ে একটু তর্ক হয়েছে মাত্র। আমার ও আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা একটি সাজানো নাটক। এর আগেও আমাকে কয়েক বার নানা ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর চেষ্টা করা হয়েছিলো।

সির্ন্দুনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরল আমিন বলেন, গ্রাম পুলিশকে মারধর ও তার গায়ে পুলিশী পোশাক ছিড়ে ফেলার ঘটনায় ওই গ্রাম পুলিশ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। জেলা প্রশাসক আবু জাফর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন।

হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, গ্রাম পুলিশকে মারধরের ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

হাতীবান্ধার ইউএনও সামিউল আমিন বলেন, ওই গ্রাম পুলিশকে মারধরের ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102