সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ

খাঁচায় পাখি পালনে স্বাবলম্বী পরিতোষ

রংপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২২ আগস্ট, ২০২১
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

রংপুরের পীরগঞ্জে খাঁচায় পাখি পালন করে স্বাবলম্বী পরিতোষ। ছোট বেলা থেকেই পাখি নিয়ে জীবন গড়ার চিন্তা চেতনা,পাখি নিয়েই অনেক স্বপ্ন তার।পরিতোষ যখন ছোট ছিলেন বাবা মাকে বলতেন আমি পড়াশোনা করে পাখির বাড়ি বানাব। বর্তমান তার চিন্তা ও সাধনার ফল একেবারে বেকারত্বের মোড় ঘুঁড়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও পাখি দিয়ে নীড় ভরে গেছে।

খাঁচায় পাখির খামার তৈরি করে এখন স্বাবলম্বী পরিতোষ মহন্ত। পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা গ্রামের মৃত হরিপদ মহন্তের একমাত্র পুত্র পরিতোষ মহন্ত। রংপুর কারমাইকেল কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এমবিএ পাস করে চাকরির পিছনে না ঘুরে নিজস্ব স্থানে চতরা বন্দরে গড়ে তুলেছেন বিভিন্ন প্রজাতির কবুতর এবং খাঁচায় পোষা পাখির এক অভয় নীড় “দাদা বার্ডস্ কর্ণার”।

২০১৭ সালের শুরুতেই সুচনা করে অক্লান্ত পরিশ্রমে মাধ্যমে তিলে তিলে গড়ে উঠে কিচিরমিচির পয়েন্ট। তার এই কর্ম জীবনে শুরু থেকেই অনেক লোকসান গুনতে গুনতে বর্তমানে সুখের তরীতে পা রেখেছেন। প্রতিদিন এলাকার ছোট ছোট শিশুরা পাখি দেখার জন্য চলে আসে তার পাখির নীড়ে। ২০২১ সালে উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল থেকে শ্রেষ্ট হয়ে সনদপত্র ও শুভেচ্ছা স্মারক লাভ করেন।

পাখি দেখতে আসা জুয়েল মিয়া বলেন, আমরা প্রায়ই বাচ্চাদের নিয়ে পাখি দেখতে আসি এখানে। অনেক ভালো লাগে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি একটু সুনজর দেয় তাহলে সে অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

পরিতোষ মহন্ত বলেন, দীর্ঘ দিন থেকে হাটি হাটি পা পা করে এক গোন্ডা বাজারি পাখি দিয়ে শুরু করেছি এখন কবুতর ও পাখিসহ প্রায় দুই শতাধিক রয়েছে। তিনি আরও বলেন করোনা কালীন সময়ে আমি হিমশিমে ছিলাম না। নিজে না খেয়ে পাখিদের ভূরিভোজ করিয়েছি। পীরগঞ্জের একমাত্র পাখি ওয়ালা হিসাবে প্রণোদনা থেকে বিরত হয়েছি।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ অফিসার ড. তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সবসময় পাখির এবং পরিতোষের খোঁজ খবর রাখছি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102