মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন

একদল শিক্ষার্থী গভীর রাতে মানুষকে সেহরিতে ডাকছেন

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮১ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

বাংলার সংবাদ ডেস্ক ।। রোজাদার ঈমানদার ভাই ও বোনেরা, আপনারা উঠুন। সেহেরি খেয়ে নিন। এখন রাত ৩টা বেজে ১৫ মিনিট। অনেক দূর থেকে শব্দটা আসছে। মাইকিংএর শব্দ। যাঁরা এই শব্দের সঙ্গে পরিচিত, তাঁদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। রোজার মাসে সেহরির সময় ঠাকুরগাঁওবাসির কাছে এই শব্দ অনেক পুরোনো। যাঁরা রোজা রাখেন, তাঁদের এখন সেহরি খাওয়ার জন্য ঘুম থেকে উঠতে হবে।

‘মুমিন মুসলমান, সেহেরি খান। রোজদার, ওঠো ৪ জন স্কুল পড়ুয়া শিক্ষার্থী এক হাতে মাইক্রোফোন অন্য হাতে টর্চলাইট, ছন্দের তালে তালে সুর করে মাইক বাজিয়ে একটু পর পর ডাকার এমন দৃশ্য চোখে পড়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে। আর এই সাথে জড়িত থাকতে দেখা যায় সাহেরুল ইসলাম সহ কয়েকজন শিক্ষার্থী ঝড় বৃষ্টি যাই হোক সুমন, মাসুদ, সুলতান আলী, সাহেদ আলী, সাহেরুল আলী, ইব্রাহিম আলীর পুরো মাস জুড়ে থেমে নেই এই প্রচারনা তাই তো এলাকার জুড়ে সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে এই তরুন্দের কন্ঠস্বর।

এলাকার বয়জষ্ঠরা বলেন, হামরা অক্ষর জ্ঞানহীন মানুষ। সময়-টময় দেখবা পারিনা। ছোয়ালা মাইক বাজায় সেহরি খাবা ডাকছে। হামরা উঠে সেলা সেহরি খাছি। আল্লাহ ছোয়ালাক ভালো করোক

শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা ছোটবেলা থেকে সেহরির সময় মুমিনদের ঘুম ভাঙানোর দৃর্শ্য দেখে আসছি। তারা দলবেঁধে ‘হ্যাজাক ও হারেকিন জ্বলিয়ে গজল গাইতে গাইতে মুমিন মুসলমানদের সেহরি খাওয়ার জন্য ঘুম ভাঙাতেন। এখন আমরা করছি। তারা আরো বলেন, এই অঞ্চলে একটা সময় এটা ঐতিহ্য ছিল। সময়ের সাথে অনেক কিছু বদলে গেছে। তবে আমরা প্রতি

রোজার মাসে সেহরির সময় কাফেলা দল তৈরী করে গজল গেয়ে নিজ গ্রামের পাশাপাশি অন্য গ্রামের মানুষকে জাগাই। এতে মানুষ সময় মত সেহরি খেতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by RJ Ranzit
themesba-lates1749691102