রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ শ্বশুর বাড়ির পাশে জামাতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

একজন সফল আম চাষী জুয়েল

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৮৫ বার দেখা হয়েছে
আম চাষী জুয়েল

মোঃ রাশেদুল ইসলাম, পঞ্চগড় ।। পঞ্চগড়ে চলতি মৌশুমে আমের আশানুরূপ ফল আসেনি। অনেকের বাগানে আমের মুকুল তেমন নেই বললেই চলে ।এর মধ্যে জেলার সদর উপজেলার ৫নং চাকলাহাট ইউনিয়নের বীরপাড়া এলাকার চাষী মোঃ আসাদুজ্জামান প্রধান (জুয়েল) এর বাগানে আমের প্রচুর ফল এসেছে । ইতিমধ্যে তিনি চার লক্ষ টাকায় ব্যবসায়ীদের কাছে বাগান চুক্তি দিয়েছেন।

চাষী মোঃ আসাদুজ্জামান প্রধান (জুয়েল) বলেন, আমার বড়ভাই মোঃ জসিয়ার রহমান প্রধান অনেক বড় একটা আমবাগান করেছে ।তার বাগান করা দেখে আমি উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজে আমবাগান করার সিদ্ধান্ত নেই। যার ফলশ্রুতিতে বাড়ির সামনে পড়ে থাকা চার একর জমির ঝোপঝাড় পরিষ্কার করে আম চাষ শুরু করি।

শুরুর দিকে একটু হতাশার মনে হলেও বর্তমানে আমবাগান করে আমি সফল ।আমার চার একর জমিতে প্রায় ৫০০ আম গাছ রয়েছে তারমধ্যে আমরুপালি ৪০০ এবং হাড়িভাঙ্গা ১০০ গাছ রয়েছে। বাৎসরিক চার লক্ষ টাকা হিসাবে তিন বছরের চুক্তিতে ১২ লক্ষ টাকায় ব্যবসায়ীদের কাছে বাগান চুক্তি দিয়েছি ।

চলতি মৌসুমে আমার আম বাগানে আমের বাম্পার ফলন হয়েছে ,যা অন্যান্য চাষীদের বাগানে তুলনায় অনেক বেশি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে গাছে যে পরিমাণ আম ধরেছে তাতে ব্যবসায়ীরা অনেক লাভবান লাভবান হবে বলে আমি আশাবাদী । আমাদের এই অঞ্চলের জমি আম চাষের জন্য বেশ উপযোগী।

আম চাষী জুয়েল


তবে এই অঞ্চলে আমরুপালি এবং হাড়িভাঙ্গা এই দুই জাতের আমের ভালো ফলন হয় ।যারা নতুন চাষি আম বাগান করতে ইচ্ছুক তারা যেন এই দুই জাতের আম চাষ করে । এছাড়াও আমি আমবাগানের পাশাপাশি মালটা ,ড্রাগন ফল, লিচু সহ দেশী-বিদেশী বেশ কিছু ফলের চাষ শুরু করেছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এবং দায়িত্বে থাকা ইউনিয়নের মাঠকর্মী তারা আমাকে বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহ্ আলম মিয়া বলেন, জেনেটিক কারনে মুলত আমের ফলন কোন বছর বেশি হয়,আবার কোনো বছর কম হয় ।আম এবং লিচুর ক্ষেত্রে এটা হয়ে থাকে ।যার ফলে অনেকের বাগানে আমের মুকুল আসেনি ।কিন্তু চলতি মৌশুমে সদর উপজেলায় আমের ফলন ভালো হয়েছে ।

আমরা নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করে কৃষকদের বিভিন্ন রকম পরামর্শ প্রদান করে আসছি । বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব সরকার।সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কৃষকদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি । আমাদের এই কার্যক্রম সবসময় অব্যাহত থাকবে ।

তিনি কৃষকদের প্রতি অনুরোধ জানান, ফসলের যে কোন রোগ দেখা দিলে তারা হুট করে বাজার থেকে ঔষধ কিনে এনে সেটা ব্যবহার যেন না করে।আমাদের অবগত করা হলে, আমাদের মাঠকর্মীরা আছে, আমরা আছি আমরা ফসলের সঠিক রোগ নির্ণয় করে সঠিক কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ প্রদান করবো।এতে কৃষকরা কম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102