রবিবার, ২২ মে ২০২২, ০২:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ

ঈদকে সামনে রেখে চাউলের গুঁড়ো তৈরীতে ব্যস্ত গৃহিনীরা

নতুন বাংলার সংবাদ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১
  • ৫৮ বার দেখা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

লিটন পাঠান, হবিগঞ্জ ।। মাংস দিয়ে চাউলের গুঁড়ো থেকে বানানো রুটি/পিঠা খাওয়ার মজাটাই অন্যরকম। ঈদ-উল-আযহার দিনে মাংস রান্নার পাশাপাশি গ্রাম বাংলার প্রায় প্রতিটি ঘরেই চাউলের গুঁড়ো দিয়ে তৈরী হয় রুটি/পিঠা। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে উঠানে উঠানে এখন আতপ চাউলের গুঁড়ো (স্থানীয় ভাষায় চাউলের গুড়ি) শুকানোর উৎসব চলছে। ঈদ-উল-আযহার দিন রুটি বানানোর জন্য এই চাউলের গুঁড়ো প্রস্তুত করা হচ্ছে। কোথাও বাড়িতে এসে ধান ও চাউল ভাঙিয়ে দেয় ভ্রাম্যমাণ মিলের লোকজন। কোথাও বাজারে গিয়ে চাউল ভাঙিয়ে আনতে হয়।

জানা যায়, বেশিরভাগ এলাকায় ঈদ-উল-আযহার দিন রুটি বানানোর জন্য আতপ চাউলের গুঁড়ো প্রস্তুত করা। বাজারে ভাঙিয়ে আনলে খরচ কম পড়ে। বাড়িতে আসা মিলে ভাঙিয়ে নিলে বেশি খরচ দিতে হয়। ভাঙানোর পর চাউল গুঁড়ো উঠানে বিছানার ওপর কাপড় দিয়ে শুকাতে হয়। না হয় গুঁড়ো নষ্ট হয়ে যায়। প্রতি ওঠানে এখন সাদা গুঁড়োর মেলা বসেছে।

মুরাদপুর গ্রামের রহিছ আলীর স্ত্রী আলেমা বেগম বলেন, এই এলাকায় সবাই হয়তো পশু কুরবানি দিতে পারবেন না। তবে চাউলের গুঁড়ো প্রায় সব পরিবারই প্রস্তুত করছে। আমাদের এলাকায় চাউলের রুটি ছাড়া কুরাবানির ঈদ যেন অসম্পন্ন মনে করা হয়। শত বছর ধরে এই সংস্কৃতি চলে আসছে।

হরিশ্যামা গ্রামের রহিছ আলী জানান, এখন প্রতি বাড়িতে এখন চাউল ভাঙার উৎসব চলছে। তবে গত দুই বছর ধরে করোনার কারণে মানুষের হাতে টাকা কম, তাই মানুষ চাউল কম ভাঙাচ্ছে। আগে যেখানে প্রতি বাড়িতে পাঁচ হাজার টাকার মতো কাজ হতো সেখানে তিন হাজার টাকার কাজও হচ্ছে না। বাজারে বিদ্যুত দিয়ে মেশিন চালানো হয়। তাই বাজারে চাউল প্রতি কেজি গুঁড়ো করতে ১০ টাকা দিতে হচ্ছে।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মামুন হাছান জানান, দীর্ঘদিন ধরে মাধবপুর উপজেলায় কাজ করছি। এখানে ঈদ-উল-আযহার দিন রুটি বানানোর জন্য আতপ চাউলের গুঁড়ো প্রস্তুত করা হয়। ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে চাউলের গুঁড়ো প্রস্তুত করা দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি। আগে ঢেঁকিতে চাউল গুঁড়ো করা হতো।

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102