সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইলিয়াস মোল্লা’কেই পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে চায় লাউকাঠী ইউনিয়নবাসী শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে ভোঁ-দৌড় দিলেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা! লালমনিরহাটে পানির নিচে কৃষকের স্বপ্নের ধান! হাতীবান্ধায় ন্যাশনাল ব্যাংকের করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ভুট্টাক্ষেতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ তিস্তা বাঁচাও ভাঙ্গন ঠেকাও শীর্ষক তিস্তা কনভেনশন কাজীর কান্ড! কাবিননামা নিতে ৩০ হাজার টাকা দাবি মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আহত! লালমনিরহাটে বিএনপির বাইসাইকেল র‍্যালিতে মির্জা ফখরুল লালমনিরহাটে অস্ত্রসহ ৪ জন জনতার হাতে আটক।। পুলিশে সোপর্দ

ইভ্যালির লোভে পড়ে ২০ কোটি টাকার পণ্য অর্ডার!

বাংলার সংবাদ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৪২ বার দেখা হয়েছে

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার শতাধিক গ্রাহকের প্রায় ২০ কোটি টাকার পণ্য পড়ে আছে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির কাছে। কম দামে পণ্য কিনতে অভাবনীয় ছাড়ের লোভে পড়ে তারা ইভ্যালিতে টাকা বিনিয়োগ করেছেন।

অনেকেই আবার ইভ্যালি পণ্য কিনে লাভবানও হয়েছেন। তবে লাভ পাওয়া গ্রাহকের সংখ্যা খুবই কম। একে অন্যের কাছে লাভের কথা শুনেই প্রতিষ্ঠানটিতে পণ্য অর্ডার করে সর্বস্বান্ত হয়েছেন অধিকাংশ গ্রাহক।

তবে বিনিয়োগ করে বিপাকে পড়লেও কারো কোনো অভিযোগ নেই। বরং এখনো টাকা ফেরতের আশায় আছেন অনেকেই। গ্রাহকদের দাবি, ইভ্যালির মালিকদের গ্রেফতারের পর বন্দি করে রাখলে গ্রাহকদের কষ্টার্জিত টাকা ফেরতের সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় দাঁড়াবে। ফলে ইভ্যালি থেকে টাকা ফেরতের জন্য প্রতিষ্ঠানের দুই মালিককে মুক্তি দেওয়া হোক।

জানা গেছে, ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ রোডের প্রায় প্রত্যেক ব্যবসায়ী বিভিন্ন মডেলের মোটরসাইকেল, মোবাইল, ফ্রিজসহ একাধিক পণ্য ইভ্যালিতে অর্ডার দিয়ে টাকা পাঠিয়েছেন। শুধু কলেজ রোডের গ্রাহকরাই ইভ্যালির কাছে পাবেন প্রায় কোটি টাকা। উপজেলার কলেজ রোডের একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করেন সুধন দত্ত। লাভের আশায় ঋণ করে ইভ্যালিতে মোবাইলসহ কয়েকটি পণ্য অর্ডার করেছেন কয়েক মাস হলো। কিন্তু ইভ্যালির দেওয়া নির্দিষ্ট সময় পার হলেও তিনি পণ্য পাননি।

সুধন বলেন, ‘এখন টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে খুবই চিন্তায় আছি। তবে ইভ্যালির মালিককে মুক্তি দিয়ে ব্যবসা করার সুযোগ দিলে হয়তো আমাদের টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা থাকত।’ একই অবস্থা ঐ রোডের সেভেন ব্রাদার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শেখ সাদীর। তিনি প্রায় ৯ লাখ টাকার পণ্য অর্ডার করেছেন।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য গ্রাহক ইভ্যালিতে বিনিয়োগ করে সর্বস্বান্ত হয়েছেন। গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি গ্রামের শিক্ষিত বেকার তিন বন্ধু মিলে ঋণ করে লাভের আশায় ইভ্যালিতে ছয় মাস আগে প্রায় ২ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। এখন টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

তাদের একজন শিশির দাস বলেন, ‘ইভ্যালির মালিক গ্রেফতার হয়েছে শুনে পাওনাদাররা প্রতিনিয়তই টাকার জন্য চাপ দিচ্ছে।’

আপনার মন্তব্য লিখুন

সংবাদটি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2017 notun-bdsangbad
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102